সীতাকুন্ড প্রতিনিধি
জরুরি সেবা সংস্থা ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে মহাসড়কের সীতাকুন্ড টেরিয়াইল নামক এলাকা থেকে দুই বাস ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে কুমিরা-টেরিয়াইল হাইওয়ে পুলিশ। পরে অবশ্য পুলিশ আটককৃত ডাকাতদের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করে।
গত শনিবার রাতে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের টেরিয়াইল নামক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের আটক করে। আটককৃত ডাকাতরা হলেন খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা থানার গুইমার এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মো. মনির (২০) ও কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আতকুরা এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে ওমর ফারুক হৃদয় (২২)।
হাইওয়ে পুলিশ ও বাসে থাকা যাত্রীরা জানান, শনিবার রাত ১১ টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে চট্টগ্রামগামী ‘আল আরাফাত’ পরিবহনের বাসে যাত্রীবেশে ৮-১০ ডাকাত গাড়িতে উঠে পড়ে। এরপর তারা সশস্ত্র ডাকাতির উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গাড়ি চালক ও যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। এতে আহত হন চালক, হেলপারসহ ৪ জন। পরে যাত্রীদের তোপের মুখে কয়েকজন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে যাত্রী ও দুই ডাকাত সদস্যকে নিয়ে গাড়ি চালাতে থাকেন আল আরাফাত পরিবহনের বাসের চালক। এসময় এক যাত্রী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দেন এবং এবং গাড়ির লোকেশন বলে দেন। পরে মহাসড়কের সীতাকুন্ড টেরিয়াইল নামক এলাকায় কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম চেক পোস্ট বসিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িটি আটক করে। যাত্রীদের সহায়তায় পুলিশ দুই ডাকাতকে আটক করে হাইওয়ে থানায় নিয়ে যায়।
ডাকাতের হামলায় আহতদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থল বিবেচনায় হাইওয়ে পুলিশ আটককৃত ডাকাতদের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করে।
সীতাকুন্ডের কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের ওসি আব্দুল জাকির রাব্বানী জানান, শনিবার রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে আমরা মহাসড়কের টেরিয়াইল নামক স্থানে ব্যারিকেট বসিয়ে চেকপোস্ট দেই। এরপর এক এক করে বাসে তল্লাশি শুরু করি। এক পর্যায়ে ডাকাতের হানা দেয়া বাসটিকে থামিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে উদ্ধার করি। পরে ডাকাতদের আটক করেছি। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে স্ব স্ব গন্তব্যে প্রেরণ করেছি। আটক দুই ডাকাত সদস্যকে চৌদ্দগ্রাম থানার হস্তান্তর করি।



