রেস্টূরেন্ট-শোরুম পুড়ে ছাই

0
রেস্টূরেন্ট-শোরুম পুড়ে ছাই

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুড়ে গেছে ২টি দোকান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরো বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার সময় উপজেলার কেরাণীহাটের নিউ মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চারটি ইউনিট দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অগ্নিকান্ডের সঠিক কারণ জানা না গেলেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সাতকানিয়ার কেরাণীহাটের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন নিউ মার্কেটের ২য় তলায় আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের পর্যায়ক্রমে চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকান্ড চলাকালে আগুনের ধোঁয়ায় পুরো কেরাণীহাট এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।
কেরাণীহাট নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শহর মুল্লুক রাশেদ ও সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শফি সওদাগর জানান, নিউ মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত ক্যান্ডি নামের চাইনিজ রেস্টুরেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্যান্ডি ছাড়াও বনফুল অ্যান্ড কোং এর শোরুম সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরো বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
প্রত্যক্ষদর্শী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও অর্থ সম্পাদক জামিদুল ইসলাম জানান, কালো ধোঁয়ার কারণে দীর্ঘক্ষণ ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ও স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে পারেনি। অনেক পরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে দমকল বাহিনীর লোকজন ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম জোন-২ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফরিদ আহমদ বলেন, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে আমাদের সাতকানিয়া, চন্দনাইশসহ মোট চারটি ইউনিট দীর্ঘক্ষণ প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার সূত্রপাতের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ জানানো হবে।
সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়েই পুলিশের বেশ কয়েকজন অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।