কক্সবাজারের রামুতে ৩ জন জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে সালিশ চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে জনপ্রতিনিধিসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুর একটায় রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন, ওই এলাকার ইসমাইলের ছেলে মো. শফি (৫৫), মো. শফির ছেলে মো. আলম (১৮), মো. শফির স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৬), ইসমাইলের ছেলে ছানা উল্লাহ (৩০), আমান উল্লাহ (৪৫), মো. শফির ছেলে মোর্শেদ আলম (২৮) এবং ইউপি সদস্য ফরিদুল আলম।
আহত মো. শফি জানিয়েছেন-তাদের পৈতৃক বসতভিটে নিয়ে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য পূর্ব ঘোষণামতে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শুক্রবার সকালে সার্ভেয়ার দ্বারা পরিমাপ শুরু করেন বিচারক ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিন, ইউপি সদস্য ফরিদুল আলম, সাবেক ইউপি সদস্য জহির উদ্দিনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরিমাপ শেষে উপস্থিত বিচারকগণ জুমার নামাজের পর সবাইকে প্রাপ্ত জমি বুঝিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেন। এসময় সুলতান আহমদের ছেলে হাকিম মিয়ার নেতৃত্বে একদল ভাড়াটে লোকজন এসে অতর্কিতভাবে বিচারকসহ প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করে। এ সময় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ইউপি সদস্য ফরিদুল আলমও মারধরের শিকার হন। হামলার পর আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজমিরুজ্জামান জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে একটি বিচার চলাকলে হামলার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে এ ব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি।



