বান্দরবান প্রতিনিধি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবানে বিভিন্ন পূজামন্ডপের জন্য অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদের সভাকক্ষে চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই প্রধান অতিথি হিসেবে বান্দরবান জেলা সদরসহ ৭টি উপজেলার ৩২টি শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের হাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দকৃত এই অনুদানের চেক বিতরণ করেন।
এসময় পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল মনসুর, সদস্য অ্যাড. মো. আবুল কালাম, মো. নাছির উদ্দিন, শ্রী শ্রী সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপন পরিষদ বান্দরবানের সভাপতি রাজেশ্বর দাশ বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক সবুজ দত্ত বাচ্চুসহ ৭টি উপজেলার দুর্গোৎসব উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক থানজামা লুসাই শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গাপূজা উদ্যাপন পরিষদের জন্য অনুদান দেয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবারের দুর্গাপূজা আরো জাঁকজমকপূর্ণভাবে ও আনন্দয়ময় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালীন সকল পূজামন্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং পূজায় আগত সকল ভক্তরা যাতে নির্বিঘেœ পূজায় অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্য সকলকে সহযোগিতা করতে নির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারছে। ধর্ম যার যার উৎসব আমাদের সবার। প্রত্যেক ধর্মের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ‘পূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।
আয়োজক কমিটিগুলো থেকে জানানো হয়, ‘পূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, আযানের সময় মাইক বন্ধ রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানায় পরিষদগুলো।
উল্লেখ্য, ৩২টি পূজামন্ডপের মধ্যে জেলা সদরে ১১টি, লামা উপজেলায় ৮টি, আলিকদমে ৫টি, নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪টি, থানচিতে ২টি, রুমা ১টি ও রোয়াংছড়িতে ১টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।



