চন্দনাইশ প্রতিনিধি
চন্দনাইশে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ ১০ জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন ২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে পাঠানোর পর সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে মো. ইউসুফ (৩২) গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে, মো. ইদ্রিস (২৭) গতকাল রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে মারা যান।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে চন্দনাইশের বৈলতলী চর পাড়া এলাকায় সিলিন্ডার গ্যাস ক্রস ফিলিং এর সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দ্রæতই আগুনের সূত্রপাত হয়ে গুদামের মালিক মাহবুবুর রহমানসহ ১০ জন দগ্ধ হন। ১০ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর গুদামের মালিক মাহবুবুর রহমান (৪৫), মো. ইউসুফ (৩২), মো. ইদ্রিস (২৭), মো. রিয়াজ (২০) কে ঢাকায় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে প্রেরণ করা হয়।
তাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করা মো. ইউসুফের কণ্ঠনালীসহ শরীরের ৬৭ শতাংশ পুড়ে যায়। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। অপর দুই জনের মধ্যে মাহবুবুর রহমানের ৫০ শতাংশ, রিয়াজের শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থাও এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।
এদিকে চট্টগ্রাম বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৬ জনের অবস্থা শংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউনিটের সহযোগি অধ্যাপক ডা. এস খালেদ। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের প্রত্যেকের শ^াসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন আকিবের ৪০ শতাংশ, সৌরভের ৩০ শতাংশ, মহিউদ্দীন, মো. হারুন, মো. ছালেহ’র ৪৫ শতাংশ, লিটনের ২০ শতাংশ পুড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ২ জন মারা গেছেন। এ ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া অবৈধভাবে গ্যাস ক্রস ফিলিং করা হলে এদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



