চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সমন্বিত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো. হাসানুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামস্থ জিমনেশিয়াম হলে তিনি সমন্বিত ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ সময় তিনি বলেন, দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। এই নগরীর বাসিন্দা, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি। তাই সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
চসিক নির্বাচনে ৭৩৫টি কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের ২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। বাকী ৭৩৩ কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ৪৯০টি। মোট ভোট অনুপাতে প্রাপ্ত ভোটের হার ২২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুর আম প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫৩ ভোট। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১২৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকন চৌধুরী হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১০৯ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম হাতপাকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮০ ভোট। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মো. রেজাউল করিম চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের শাহাদাত হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়েছেন।
এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লক্ষ ১৬ হাজার ৭৫৯ ভোটে এগিয়ে থাকায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হচ্ছে। এসময় আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ফলাফল তালিকা গ্রহণ করেন বিজয়ী মেয়র প্রার্থী মো. রেজাউল করিমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল।
এসময় ৫নং মোহরা ওয়ার্ড, ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত ২ ও ১৪নং ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। অবশিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর বিজয়ী প্রার্র্থী অনুপস্থিত থাকায় তাদের ফলাফল চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে বলা হয়।



