হেফাজতের কার্যক্রম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: সাইফুদ্দীন আহমদ

23

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনকালে দেশে যখন জাতীয় ঐক্য ও উচ্ছ¡াস উদ্দীপনা চলছিল, তখনই তা রুখে দিতে হেফাজতিরা মাঠে নেমে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছে বলে অভিযোগ করে এর পেছনে কলকাঠি নাড়া জামাতিদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হেফাজত-জামাতিরা দেশে শান্তি-স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি স্বরূপ। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখা যখন অনিবার্য, তখনই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামাত ও হেফাজতিরা দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে ঘিরে তারা দেশে নৈরাজ্য ও সহিংস পরিবেশ তৈরি করেছে। দেশের মাটিতে এইসব ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর কারণে মোদির কি ক্ষতি হয়েছে আর দেশের কি লাভ হয়েছে? এই জিজ্ঞাসা আজ সমগ্র জাতির। উপরন্তু তাদের হীনস্বার্থ হাসিলের বলি হলো নিরীহ ২০টি তাজা প্রাণ। সহিংসতা কোনো উত্তম সমাধান হতে পারে না। বিশৃংখলা ও ফেতনা ফ্যাসাদ সৃষ্টি হত্যার চেয়েও জঘন্য অপরাধ। সীমালংঘনকারীকে আল্লাহপাকও পছন্দ করেন না। হরতাল দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে রাখা ইসলামী নির্দেশনা পরিপন্থী হঠকারী কাজ। হেফাজতিরা নিজেদের ইসলামী দল হিসেবে প্রচার করলেও বার বার পবিত্র কোরআনের এই মর্মবাণী তাদের সহিংসতার কারণে উপেক্ষিত হয়েছে। প্রকৃত আলেম কখনো সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও লুটতরাজ করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে শান্তিকামী মানুষের শান্তি নষ্ট করতে পারে না। কথায় কথায় সন্ত্রাস, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ইসলাম সমর্থন করে না। এটা প্রিয়নবীর আদর্শও নয়। নিজেদের যতোই অরাজনৈতিক ইসলামী সংগঠন দাবি করুক, বাস্তবে হেফাজতিদের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে। এদের বাড়াবাড়ি ও ঔদ্ধত্যের উৎস কোথায় তা সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে। তিনি হেফাজতি তাÐবের পেছনে জড়িত জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান এবং দেশবাসী ও হাক্কানী পীর ওলামা মাশায়েখকে এই উগ্রবাদী অপশক্তিকে প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হবার আহŸান জানান। বিজ্ঞপ্তি