সড়কের বেহালদশা, চরম দুর্ভোগে দুই গ্রামের মানুষ

11

আবেদ আমিরী, পটিয়া

বাথুয়া-টাঙ্গাপুল সড়কের বেহালদশায় পটিয়ার দক্ষিণ আশিয়া ও বাথুয়া গ্রামের বাসিন্দাদের বাজার করতে যেতে হয় আনোয়ারার ছত্তারহাটে। সড়কের বেহালদশায় হারিয়ে গেছে আশিয়ার টাঙ্গাপুল বাজার। ওই সড়কে এখন কোনো ধরনের যানবাহনের চলাচল নেই। হেঁটেই বাড়ি যাতায়াত করতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। বাথুয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে টাঙ্গাপুল পর্যন্ত সড়কটিতে এ সরকারের আমলে উন্নয়নের ছোঁয়া একেবারে লাগেনি অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তবে আশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসেম জানান, অচিরেই সড়কটি কাজ শুরু হবে। এ জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। স্থানীয় বাসিন্দা মিজবাহুল করিম রাজিব জানান, এ সড়ক দিয়ে আনোয়ারা থেকে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ পটিয়া আসা-যাওয়া করতেন। সড়কটির কোন উন্নয়ন না করায় এখন কোন যানবাহন চলাচল করে না। তাই আনোয়ারার লোকজন এ সড়ক দিয়ে আসা যাওয়া করেন না। উল্টো আমাদের যেতে হয় আনোয়ারা ছত্তার হাটে। নগরীতে আনোয়ারা হয়ে আসা যাওয়া করতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শওকত আলী জানান, সড়কটি ডাবল ব্রিক সলিন দ্বারা প্রায় ১৫ বছর আগে সংস্কার করা হয়েছিল। এখন জোয়ারের পানি উঠে প্রতিনিয়ত। এছাড়া ভারিযান চলাচল করায় সড়কটি ভেঙে গেছে। এতে সড়কটি দিয়ে ছোট যানবাহনও চলাচল করতে পারে না।
আবদুল করিম জানান, সড়কের যে অবস্থা, তাতে বর্ষায় বৃষ্টি হলে পায়ে হেঁটে চলাচালেরও অনুপযোগী হয়ে পড়ে সড়কটি। নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি মেলে। এরপর খবর থাকে না জনপ্রতিনিধিদের।
সাংবাদিক শিশির বড়ুয়া অভিযোগ করেন, এ সড়কের প্রতি নজর নেই জনপ্রতিনিধিদের। পটিয়া উপজেলার আশিয়ায় এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাতে কোন ধরনের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। সড়কে চলাচলের অবস্থা না থাকায় বিলীন হয়ে গেছে টাঙ্গাপুল বাজার। জৌলুস হারিয়েছে আশিয়ার ইউনিয়নের এ এলাকাটি।
আশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হাসেম বলেন, পটিয়ার আলির হাটের দিকে রুটটির কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাথুয়া থেকে টাঙ্গাপুল সড়কের কাজও শুকনো মৌসুমে শুরু হতে পারে। এজন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্ষাকালে যাতে সড়কটি তলিয়ে না যায়, তাই উঁচু করে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া টাঙ্গাপুল থেকে আশিয়ার মির্জাপাড়া পর্যন্ত সড়কটির কাজও কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে।