স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে সীতাকুন্ড ওএমএস চাল ও আটা বিক্রি শুরু

17

সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার খোলা বাজারে কার্যক্রম(ওএমএস) এর আওতায় সীতাকুন্ড পৌর এলাকায় চারটি ডিলার পয়েন্টে ন্যায্যমূল্যে চাল/আটা বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওএমএস এর চাউল ও আটা নিতে আসা ক্রেতারা কঠোর এই লকডাউনে কোন রকম স্বাস্থ্যবিধি মানেন নি। গাদা-গাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। আবার অনেকে মুখে মাক্সও পড়ে নাই। খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতি কেজি চালের মূল্য ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি আটার মূল্য ১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রতিটি ডিলার পয়েন্টে ১.৫ মেট্রিক টন চাল এবং ১ মেট্রিক টন আটা বিক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পৌর এলাকার ইদিলপুর, পন্থিছিলা বাজার, কলেজ রোড ও যুব চত্বর এলাকায় ওএমএস-এর দোকান থেকে জন প্রতি পাঁচ কেজি চাল অথবা আটা যে কেউ কিনতে পারবেন। গত বৃহস্পতিবার ডিলার পয়েন্টগুলোতে সাধারণ ক্রেতা/ভোক্তাদের কোন অভিযোগ আছে কি না তা যাচাই করার জন্য ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সীতাকুন্ড পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সামছুন্নাহার স্বর্ণা, সীতাকুন্ড প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক লিটন কুমার চৌধুরী, সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন অনিক, কাউন্সিলর বদিউল আলম জসিম প্রমুখ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সামছুন্নাহার স্বর্ণা বলেন,“ওএমএস কর্মসূচির জন্য প্রত্যেক ডিলারকে ১ হাজার ৫০০ কেজি করে চাল ও ১ হাজার কেজি আটা প্রতিদিন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ৭ই আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। চাল প্রতি কেজি ৩০টাকা এবং আটা ১৮টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে। যে কেউ তার সুবিধাজনক সময়ে এসে এসব খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন। অপরদিকে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিদর্শনে যাওয়া মূলত ক্রেতার কোন অভিযোগ ডিলারের বিরুদ্ধে আছে কি না। কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলেও আমরা গিয়ে ঠিক করেছি, আর বৃষ্টির কারণেও আজ অনেকটা স্বাস্থ্যবিধি মানতে পারেনি অনেকে। তারপরও আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং আগামীতে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ক্রেতা ও ডিলারদের সতর্ক করেছি।