স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী : ডিজিটাল বাংলাদেশ ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব

19

রূপন কান্তি সেনগুপ্ত

১৪৯২ সালের ৩রা আগস্ট ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন। আসলে তার ৫০০ বছর আগেই লিফ এরিকসন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে পদার্পন করেছিলেন। যাই হোক, কলম্বাসের আসার পরেই দ্রুত বদলাতে থাকে মানব সভ্যতার দৃশ্যপট। ১৭০০ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ হতো মানুষের পেশী শক্তির সাহায্যে, বাকিটা পশু শক্তির সাহায্যে। ১৭১২ সালে থমাস নিউকমেন এর আবিষ্কৃত পাম্প বাণিজ্যিকভাবে কয়লা খনিতে পানি নিস্কাশন কাজে লাগানো হতে থাকে। এটিই মূলত ব্যবহারিকভাবে কাজে লাগানো মানব সভ্যতার প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন। তবে এর যান্ত্রিক দক্ষতা খুব কম থাকাতে পরবর্তীতে অধিক যান্ত্রিক দক্ষতাসম্পন্ন বাষ্পীয় ইঞ্জিন সফলভাবে আবিষ্কার করেন ও কার্যক্রম করে তোলেন জেমস ওয়াট। বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের সাথে সাথে দূর হলো মানুষের পেশী শক্তির সাহায্যে অতি ভারী কাজ করতে না পারার দুর্বলতা। যা মানব সভ্যতার আমূল পরিবর্তন এনে দেয়। খুলে যায় মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নতির দ্বার।
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত তিনটি শিল্পবিপ্লব পাল্টে দিয়েছে সারা বিশ্বের গতিপথ। ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার, ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ ও ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কারের মাধ্যমে শিল্পবিপ্লবের গতিকে বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। তবে আগের তিনটি বিপ্লবকে ছাড়িয়ে যেতে পারে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অর্থাৎ ডিজিটাল বিপ্লব। ডিজিটাল বিপ্লবকে কেন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বলা হচ্ছে, সেটি নিয়ে আলোচনার জন্য সারা বিশ্বের রাজনৈতিক নেতা, বহুজাতিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ, বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে ওর্য়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল চতুর্থ শিল্প বিপ্লব।
ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবকে নিয়ে সেখানে বিশদ আলোচনা-সমালোচনা ও বিশ্লেষন হয়েছে। ওর্য়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডবিøউ ইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ক্লাউস শোয়াব চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘আমরা চাই বা না চাই, এত দিন পর্যন্ত আমাদের জীবনধারা, কাজকর্ম, চিন্তাচেতনা যেভাবে চলেছিল সেটা বদলে যেতে শুরু করেছে। এখন আমরা এক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের ভিত্তির উপর শুরু হওয়া ডিজিটাল এ বিপ্লবের ফলে সবকিছুর পরিবর্তন হচ্ছে গাণিতিক হারে। যা আগে কখনো হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিশ্বের প্রতিটি দেশের প্রতিটি খাতে এ পরিবর্তন প্রভাব ফেলছে, যার ফলে পাল্টে যাচ্ছে উৎপাদন প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনা, এমনকি রাষ্ট্র পরিচালনা প্রক্রিয়া। ডিজিটাল বিপ্লব কী, সে বিষয়টিরও বিশদ একটি ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ক্লাউস শোয়াব। স্মার্টফোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পরিবর্তন, ইন্টারনেট অব থিংস, যন্ত্রপাতি পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, রোবোটিকস, জৈবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো বিষয়গুলো চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনা করেছে বলে তিনি মনে করেন। ডিজিটাল বিপ্লবের এই শক্তির চিত্রটি বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ডিজিটাল ডিভিডেন্ডস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন এক দিনে বিশ্বে প্রায় ২০ হাজার ৭০০ কোটি ই-মেইল পাঠানো হয়, গুগলে ৪২০ কোটি বিভিন্ন বিষয় খোঁজা হয়। এক যুগ আগেও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে এ পরিবর্তনগুলো ছিল কল্পনাতীত। ডিজিটাল বিপ্লব সম্পর্কে বহুজাতিক মোবাইল অপারেটর ডিজিসেলের চেয়ারম্যান ডেনিস ও ব্রায়েন বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হিসেবে ডিজিটালাইজেশন আমাদের কাজের সব ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে বিশাল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, তবে এই পরিবর্তনকে আমি দেখি সূচনা হিসেবে।
আগামী ১০ বছরে ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে আমরা এমন সব পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি, যা এর আগে
৫০ বছরে সম্ভব হয়নি। ডিজিটাল এই শিল্পবিপ্লব সারা দুনিয়ার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কী প্রভাব ফেলবে, সেটি নিয়ে দুই ধরনের মতামত পরিলক্ষিত হচ্ছে। একদল বিশেষজ্ঞ বলছেন, এর ফলে সব মানুষেরই আয়ের পরিমান ও জীবনমান বাড়বে। বিশ্বের পণ্য সরবরাহ প্রক্রিয়াতেও ডিজিটাল প্রযুক্তি আনবে আমুল পরিবর্তন। পণ্য আমদানি ও রপ্তানি খরচ কমে আসবে, ইতিবাচক প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। অন্যদিকে আরেকদল বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ডিজিটাল বিপ্লব বিশ্বের অসাম্য ও দারিদ্র পরিস্থিতিকে আরও ভয়ংকর পর্যা য়ে নিয়ে যাবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে মানুষের দ্বারা সম্পন্ন হয় এমন অনেক কাজ রোবট ও যন্ত্রপাতি দিয়ে সম্পন্ন করা হবে। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে তা সমস্যা তৈরি করবে। এছাড়া শ্রমবাজারে অল্প কর্মদক্ষ শ্রমিকদের চাহিদা ও বাজার কমে যাবে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বেশি করে সমস্যায় ফেলবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে সারা বিশ্বে সম্পদ বৈষম্য আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বাড়বে বলে অনেকের আশংকা। ডিজিটাল প্রযুক্তির আবিষ্কারক, বিনিয়োগকারী দেশগুলো এর থেকে যতটা লাভবান হবে, অন্য দেশগুলো সেটা থেকে বঞ্চিত হবে। বিষয়টি জয়ী পক্ষের সব ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ডিজিটাল বিপ্লবের প্রভাব হবে ব্যাপক। ব্যতিক্রমী পণ্যসেবার পাশাপাশি নিয়ত পরিবর্তনশীল গ্রাহক চাহিদা পূরনে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি ব্যবহারে সর্বোচ্চ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সরকার পরিচালনা ও নীতি নির্ধারনেও ডিজিটাল বিপ্লব আনবে বড় পরিবর্তন। প্রযুক্তি বিপ্লব সরকারি সেবাকে একদিকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসবে, অন্যদিকে প্রাণঘাতী মারণাস্ত্রের সহজলভ্যতা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ঝুঁকিও বাড়াবে। নিরাপত্তা ঝুঁকির এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবই যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করবে সেই আশংকা করছেন বিজ্ঞজনেরা। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তিতে অনেক ভালো করেছে এবং বর্তমান বিশ্বের আধুনিক সব তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীর প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতেও প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতকেই সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরেও ই-গভনের্ন্স , সার্ভিস ডেলিভারি, পাবলিক পলিসি এন্ড ইমপ্লিমেনটেশন, তথ্যপ্রযুক্তি, বিকেন্দ্রীকরণ, নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা এবং এসডিজি বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও প্রশাসনিক নীতি- কৌশল নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অব থিংস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষন দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পরপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান দেশের সামগ্রিক স্বার্থে তথ্যপ্রযুক্তি সহ সব খাতের সংস্কারের লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জেলার বেতবুনিয়ায় একটি ভ‚-উপগ্রহ কেন্দ্র চালু করেছিলেন । বর্তমানে বাংলাদেশ দু’টি সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে সংযুক্ত, তৃতীয় সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে কানেক্টিভিটির কাজ চলছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরো শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ আজ আকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট উড়িয়েছে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং অত্যাধুনিক হাইটেক পার্ক নির্মানের মাধ্যমে আগামীর বিশ্বকে বাংলাদেশ জানান দিচ্ছে যে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে বাংলাদেশও প্রস্তুত। আমাদের হাইটেক পার্কগুলো হবে আগামীর সিলিকন ভ্যালি। ইতিমধ্যে ৬৪ টি জেলার ৪ হাজার ৫০১ টি ইউনিয়ন পরিষদের সবগুলোই ডিজিটাল নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকারের প্রধান সেবাগুলো বিশেষ করে ভ‚মি নামজারি, জন্মনিবন্ধন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা চাকরির আবেদনপত্র, ব্যাংকিং সহ অনেক সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ একটি প্রত্যয়, একটি স্বপ্ন। ১২ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষনা করে যে, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ পরিণত হবে। একটি উন্নত দেশ, সমৃদ্ধ ডিজিটাল সমাজ, একটি ডিজিটাল যুগের জনগোষ্ঠী, রূপান্তরিত উৎপাদন ব্যবস্থা, নতুন জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্নই দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবকে অর্থবহ করতে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা সময়োপযোগী ছিল বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই বিপ্লবকে ফলপ্রসূ করতে সর্বক্ষেত্রে ডিজিটালইজেশনের বিকল্প নেই। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করতে হবে শিক্ষা খাতে। ডিজিটাল বাংলাদেশকে টেকসই করতে তথা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং উচ্চতর প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত শিক্ষাদান, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সাথে সাথে সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দিকে গুরুত্বারোপ করতে হবে।
ইতিমধ্যে সরকার ‘লানিং -এ্যান্ড আনিং’ ও ‘শি পাওয়ার’ বা প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন নামে প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম এই প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ায় পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সার্ভিস এন্ড এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার’ (বিডিসেট) নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিডিসেটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৬টি সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, হাই-টেক পার্ক এবং শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে। এই সেন্টার থেকে আগামী দুই বছরে প্রায় আড়াই হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে ইন্টারনেট অব থিংস, মেশিন লার্নিং, রোবোটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, এক্সটেনডেড রিয়ালিটি সহ বিভিন্ন উচ্চতর বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের তথা ডিজিটাল বিপ্লবের ফলাফলকে অনুক‚লে নিয়ে আসতে এবং এর নানা রকমের সুবিধা -অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে একথা বলা যায়, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই এ বিপ্লবকে নিজেদের করে নিতে সব রকম প্রস্তুতি শুরু করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।
সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে এগিয়ে চলা এদেশ আগামীর প্রযুক্তি বিপ্লবে নেতৃত্বের আসনে থাকবে এই প্রত্যাশা রইল। রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবে রূপায়নে বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ ও দারিদ্র শূন্য দেশ।

লেখক : কলামিস্ট, নিরীক্ষক ও হিসাববিদ