স্বাগতম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

7

দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ চট্টগ্রাম আসছেন। নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠের জনসভায় ভাষণ প্রদান করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এবারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভাগমন অন্যরকম এক আমেজ ধারণ করছে। দেশে শেখ হাসিনার জনসভায় লোক সমাগমের বিষয়টি প্রবাদের রূপনিয়েছে তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণের পর হতেই। স্বাধীনতার পরবর্তী সরকার সমূহের কাছে চট্টগ্রাম ছিল অবহেলিত। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সূতিকাগার হিসেবে চট্টগ্রামের সুনাম ও ঐতিহ্য খুবই প্রাচীন। চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর থাকায় দেশের সরকার রাজস্বের এক বিরাট অংশ পায় চট্টগ্রাম হবে। সংগত কারণে চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করা এবং সার্বিক উন্নয়নে মনযোগী হওয়া বিষয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালীন চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা প্রদান করেছিল। ঘোষণা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারের কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রতিশ্রæতির ঘোষণা দেন। এর পর হতে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে কার্যকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেন। এতে রাস্তাঘাট, মহাসড়ক, রেল যোগাযোগ, উড়ালসেতু, চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, বে-টার্মিনাল নির্মাণ, এলিবেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং শিল্প উন্নয়নের এক উন্নয়ন মহাযচজ্ঞ বাস্তবায়ন করছেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে। ২০২৩ সালের মধ্যে দোহাজারী টু কক্সবাজার রেল যোগাযোগ, বঙ্গবন্ধু টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ একগুচ্ছ মেগাপ্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামের চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ, মহেশখালীর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, বাঁশখালী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, চায়না অর্থনৈতিক জোন, কালুরঘাট টু মিরসরাই মেরিনড্রাইভ লিংকরোড ইত্যাদি উন্নয়ন কর্মকাÐ সমাপ্ত হওয়ার পথে। এর ফলে চট্টগ্রাম রূপান্তরিত হবে আন্তর্জাতিক মানের মহানগরে। বঙ্গবন্ধু টানেল উন্মুক্ত হলে চট্টগ্রাম শহরের পরিধি দ্বিগুণে উন্নীত হবে। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় চট্টগ্রামকে বিশেষত্ব প্রদান করবে বঙ্গবন্ধু টানেল। ওয়ান সিটি টু টাউন বাস্তবায়িত হবে দ্রæত সময়ের মধ্যে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তাতে চট্টগ্রাম সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানির অবকাঠামো অর্জন করছে। যে সকল সদরদপ্তর ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম হতে স্থানান্তর করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সেসব সদরদপ্তর চট্টগ্রামে পুনরায় স্থাপন করাও সম্ভব হবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানি হবার উপযুক্ততা অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবদান চট্টগ্রামবাসী অনন্তকাল স্মরণ করবে। যার কারণে আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন বিশেষ তাৎপর্যবহ। সংগত কারণে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের জনসভাস্থলে এবং আশপাশের এলাকায় তিল পরিমাণ জায়গা ফাঁকা থাকবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ জনসভায় আগমনের জন্য উগ্রীব। গ্রাম এলাকার সাধারণ মানুষ একসপ্তাহ পূর্বহতে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় আগমনে প্রস্তুত হয়ে আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নিয়েছেন। সেই কারণে আজকের জনসভা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চট্টগ্রামে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দৈনিক পূর্বদেশসহ স্থানীয় পত্রপত্রিকাগুলো চট্টগ্রামের ব্যাপক উন্নয়ন যজ্ঞের ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে। দৈনিক পূর্বদেশ পরিবার এবং সমগ্র চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে পদার্পণের জন্য স্বাগতম ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। শুভ হোক আপনার সার্বিক পথচলা। আপনি সমগ্র দেশবাসীর আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক। স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সু-স্বাগতম।স্বাগতম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ চট্টগ্রাম আসছেন। নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠের জনসভায় ভাষণ প্রদান করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এবারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভাগমন অন্যরকম এক আমেজ ধারণ করছে। দেশে শেখ হাসিনার জনসভায় লোক সমাগমের বিষয়টি প্রবাদের রূপনিয়েছে তাঁর রাজনীতিতে পদার্পণের পর হতেই। স্বাধীনতার পরবর্তী সরকার সমূহের কাছে চট্টগ্রাম ছিল অবহেলিত। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সূতিকাগার হিসেবে চট্টগ্রামের সুনাম ও ঐতিহ্য খুবই প্রাচীন। চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর থাকায় দেশের সরকার রাজস্বের এক বিরাট অংশ পায় চট্টগ্রাম হবে। সংগত কারণে চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করা এবং সার্বিক উন্নয়নে মনযোগী হওয়া বিষয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালীন চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা প্রদান করেছিল। ঘোষণা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারের কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রতিশ্রæতির ঘোষণা দেন। এর পর হতে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে কার্যকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেন। এতে রাস্তাঘাট, মহাসড়ক, রেল যোগাযোগ, উড়ালসেতু, চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, বে-টার্মিনাল নির্মাণ, এলিবেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং শিল্প উন্নয়নের এক উন্নয়ন মহাযচজ্ঞ বাস্তবায়ন করছেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে। ২০২৩ সালের মধ্যে দোহাজারী টু কক্সবাজার রেল যোগাযোগ, বঙ্গবন্ধু টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ একগুচ্ছ মেগাপ্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামের চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ, মহেশখালীর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, বাঁশখালী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, চায়না অর্থনৈতিক জোন, কালুরঘাট টু মিরসরাই মেরিনড্রাইভ লিংকরোড ইত্যাদি উন্নয়ন কর্মকাÐ সমাপ্ত হওয়ার পথে। এর ফলে চট্টগ্রাম রূপান্তরিত হবে আন্তর্জাতিক মানের মহানগরে। বঙ্গবন্ধু টানেল উন্মুক্ত হলে চট্টগ্রাম শহরের পরিধি দ্বিগুণে উন্নীত হবে। সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় চট্টগ্রামকে বিশেষত্ব প্রদান করবে বঙ্গবন্ধু টানেল। ওয়ান সিটি টু টাউন বাস্তবায়িত হবে দ্রæত সময়ের মধ্যে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তাতে চট্টগ্রাম সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানির অবকাঠামো অর্জন করছে। যে সকল সদরদপ্তর ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম হতে স্থানান্তর করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সেসব সদরদপ্তর চট্টগ্রামে পুনরায় স্থাপন করাও সম্ভব হবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানি হবার উপযুক্ততা অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবদান চট্টগ্রামবাসী অনন্তকাল স্মরণ করবে। যার কারণে আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন বিশেষ তাৎপর্যবহ। সংগত কারণে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের জনসভাস্থলে এবং আশপাশের এলাকায় তিল পরিমাণ জায়গা ফাঁকা থাকবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠন ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ জনসভায় আগমনের জন্য উগ্রীব। গ্রাম এলাকার সাধারণ মানুষ একসপ্তাহ পূর্বহতে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় আগমনে প্রস্তুত হয়ে আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নিয়েছেন। সেই কারণে আজকের জনসভা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চট্টগ্রামে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দৈনিক পূর্বদেশসহ স্থানীয় পত্রপত্রিকাগুলো চট্টগ্রামের ব্যাপক উন্নয়ন যজ্ঞের ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে। দৈনিক পূর্বদেশ পরিবার এবং সমগ্র চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে পদার্পণের জন্য স্বাগতম ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। শুভ হোক আপনার সার্বিক পথচলা। আপনি সমগ্র দেশবাসীর আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক। স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সু-স্বাগতম।