স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের প্রস্তুতি সভায়ও পাল্টাপাল্টি

18

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৪১তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ মঙ্গলবার। ১৯৮১ সালের এই দিনে প্রায় ছয় বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে আসেন তিনি। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন সমূহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারাদেশে দিনটি উদযাপন করছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার নগরীর লালখান বাজার ‘খ’ ইউনিট আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রস্তুতি সভা কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলালের অনুসারীরা পÐ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনের সভাপতি এস.এম ইব্রাহিম। তবে কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল বলেছেন, এসব বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
লালখান বাজার ‘খ’ ইউনিটের সভাপতি এস.এম ইব্রাহিম গতকাল রাতে পূর্বদেশকে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মতিঝর্ণা প্রথম মসজিদের পাশে আমরা প্রস্তুতি সভা করছিলাম। সেখানে ইউনিট আওয়ামী লীগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামীকাল (আজ মঙ্গলবার) প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আয়োজন নিয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় কাউন্সিলর বেলালের অনুসারীরা এসে বলেন- ‘এখানে কোনো মিটিং করতে পারবেন না’। এ নিয়ে চলে কিছুক্ষণ তর্ক-বিতর্ক। পরে কাউন্সিলর বেলাল আমাকে ফোন করে বলেন, আমার অনুমতি ছাড়া আপনি এখানে মিটিং করতে পারবেন না। অনুমতি নিয়েই মিটিং করতে হবে। তিনি ফোন কেটে দিলে আমি পুনরায় কল দিয়ে জানাই- ‘এটা তো জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুষ্ঠান। সুতরাং এরকম সভা যে কেউ করতে পারেন। তখন তিনি বলেন, আপনি আমাকে দাওয়াত দেননি কেন? আমি বললাম এটা মতিঝর্ণা এলাকার কয়েকজনকে নিয়ে করছি তাই ছোটখাটো সভা বলে আপনাকে দাওয়াত দেয়া হয়নি। এসময় তিনি বলেন, যখন দাওয়াত দেননি, তখন কোনো সভাও করতে পারবেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল বলেন, সভা কেন হয়নি সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে লালখান বাজারে আওয়ামী লীগের কোনো ইউনিটের কমিটি নেই। যা আছে তা অবৈধ। তিনি আরও বলেন, আপনাকে যিনি সভাপতি দাবি করে অভিযোগ করেছেন, তাকে জিজ্ঞাসা করুন কোনো কমিটির অনুমোদন আছে কি না। কমিটির কাগজপত্র বা চিঠি দেখাতে বলুন। তাহলেই পরিষ্কার হয়ে যাবেন।