সুদিন আসবেই

8

 

জীবনের গতিময়তা যেন স্থবিরতার প্ররোচণায় ক্রমশ পর্যবসিত। মহামারির প্রবঞ্চনায় সমর্পিত পুরো বিশ্ব।তথাপি গঞ্জনার শিকারে শিহরিত মনুষ্যজাতি। তান্ডবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আজও আটকে আছে নিজস্ব গন্ডির অন্তরালে। আজো যেনো ডুবে আছি ঘোর অমানিশায়। তবুও জেগে থাকা স্বপ্নগুলো পিছু নেয়। হতাশায় বলিহওয়া স্বপ্নগুলো কানে কানে বলে,“উঠবো আমি জেগে আবার,থাকবে না অন্ধকার। আলোয় আলোয় পরিপূর্ণ হবে পৃথিবী।ধুয়ে মুছে যাবে সব গ্লানি। ধুয়ে মুছে যাবে জরাজীর্ণ মহামারি। কানায় কানায় সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবেই স্নিগ্ধ এ ধরনী। কবে আসবে সুদিন? কবে হবে চেতনা? হায়রে মানুষ!! নিজের ভালো নাকি পাগলেও বোঝে। অথচ নিজেরাই করছি নিজেদের অবনতি। কেন এ পরিনতি?? বিপর্যস্ত এ ক্রান্তিলগ্নে আতঙ্কগ্রস্ত পৃথিবীকে এ ভয়ানক মহামারির করাল গ্রাস থেকে উত্তোরণের লক্ষে উদ্যমী আপামর হে বিশ্ব জনতা,আসুন প্রত্যেকে আমরা প্রত্যেকের তরে এক হয়ে রুখে দাঁড়াই। গণসচেতনতা গড়ে তুলি। নিজে ভালো থাকুন। নিজের পাশের মানুষটিকে ভালো রাখুন। সুদিন আসবেই।
অন্তরদৃষ্টিকে সক্রিয়তার মোড়কে সাজিয়ে সৎ চিন্তার মধ্যে অবগাহন করতে পারলেই আমরা বিজয়ী। অনিয়ন্ত্রিত উত্থান পতনের চড়াই উৎরাইকে মারিয়ে সুকৌশলে জেতার নেপথ্যে বিশেষতঃ সবাইকেই এক হয়ে ভূমিকা রাখতে হবে। চলার পথে হোঁচট খাওয়াটা স্বাভাবিক। তাই বলে কি উঠে দাঁড়াবো না? হাঁটবো না?বুকে সাহস,মনে বল আর ধৈর্য নিয়ে আশায় ভর করে যে সামনের দিকে এগিয়ে চলতে পারে সেই প্রকৃত অর্থে সার্থক। লক্ষ স্থির রেখে সৎ চিন্তা নিয়ে যে এগিয়ে যাবার ব্রত নেয় সে হয়তবা সাময়িক দুর্ভোগের স্বীকার হয় কিন্তু সুদিন তার আসবেই।