সীতাকুন্ডে দুদিনে দুই নারীর আত্মহত্যা

21

সীতাকুন্ডে গত দুদিনে গলায় ফাঁস দিয়ে দুই নারী আত্মহত্যা করেছেন। উপজেলার বাড়বকুন্ড ও শীতলপুর এলাকায় এই দুটি ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর বগুলা বাজার এলাকায় রিমা (২৪) নামের এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। নিহত রিমা লালমনিরহাট জেলার পাতানতরির গ্রামের মতিউর রহমানের স্ত্রী। তারা স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত বগুলা বাজার এলাকায় হোসেন কলোনীতে বসবাস করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের সন্তান মোহনার দুধ আনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ঘরের আড়ার সাথে গলায় উড়না পেচিয়ে ফাঁস খেয়ে আতœহত্যা করে।
সীতাকুন্ড থানার এস আই শওকত হাসান জানান, শুক্রবার সকালে লাশটি উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে বুুধবার বিকালে বাড়বকুন্ড ইউনিয়নে সাগরিকা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন এলাকার একটি কলোনিতে ফুলমতি (১৫) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। নিহত কিশোরী গাইবান্দা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার হাইবর আলীর কন্যা হলেও কর্মস্থল বাড়বকুন্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন।
সূত্র জানায়, উপজেলার বাড়বকুন্ড সাগরিকা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন নুরুল ইসলাম মিস্ত্রির কলোনির ভাড়া বাসায় থাকতেন হাইবর আলী ও তার পরিবার। কিশোরী ফুলমতি পার্শবর্তী ইউনিট্রেক্স গ্রুপের একটি কারখানায় চাকরি করতেন। গত কয়েকদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে চাকরিতে যেতে পারেন নি তিনি। বুধবার সকালে ঘরে ফুলমতিকে রেখে তার মা কাজে বাহির হন। বিকালে কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে কলোনির লোকদের বিষয়টি অবগত করন। লোকজন ঘরের দরজা ভেঙ্গে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কিশোরীর লাশটি দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়ে দেয়।
সীতাকুন্ড মডেল থানার ওসি মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, কিশোরী ও গৃহবধূর লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট হাতে আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।