সিজেকেএস কার্যনির্বাহী কমিটির সভা হয়নি

9

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে গত ২৫ নভেম্বও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) নির্বাচন সম্পন্ন হলেও নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা গতকাল হয়নি। এর আগে মাদারবাড়ী মুক্তকন্ঠ ক্লাবের পক্ষে হাজী ফয়েজুর রহমান গং এর দায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৭ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের এ্যাপিলেট ডিভিশনের চেম্বার জজ আদালত সিজেকেএস নির্বাচন কার্যক্রমের উপর ৮ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেন। উল্লেখ্য, মাদারবাড়ি মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদের আবেদনে গত ২৩ অক্টোবর জজ কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে মুক্তকণ্ঠের তিন প্রতিনিধি দিদারুল আলম চৌধুরী, এম এ মুসা বাবলু ও আশরাফুজ্জামানের নাম কাউন্সিলর তালিকা থেকে বাদ দেয় নির্বাচন কমিশন।
এর বিপরীতে কাউন্সিলরশিপ বঞ্চিত পক্ষও আদালতের স্মরণাপন্ন হয় এবং কাউন্সিলরশিপ ফিরে পায়। তারা তিন জন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্রও কেনেন। অবশ্য শেষ পর্যন্ত আশরাফ সরে দাঁড়ালেও দিদারুল আলম চৌধুরী সহসভাপতি এবং মুসা বাবলু নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। কিন্তু ২৩ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার শেষ প্রহরে আরেক রায় নিয়ে আসেন হারুনুর রশিদ যাতে উক্ত ৩ জনকে কাউন্সিলর তালিকা থেকে বাদ দেয়ার আদেশ দেয়া হয়। পরদিন শুক্রবার থাকায় এবং শনিবার নির্বাচন, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আর কিছুই করার সুযোগ না পাওয়ায় নির্বিঘেœ নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
আর নির্বাচনের একদিন পরেই কাউন্সিলরশিপ বাদ দিয়ে জারি করা (২৩-১১-২০২৩) আদেশ চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করা হলে বিজ্ঞ আদালত শুনানী শেষে সিজেকেএস নির্বাচন কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ দেয়। গত ২৮ নভেম্বর বিচারপতি এনায়েতুর রহিম স্বাক্ষরিত রায়ের আদেশে বলা হয়- ‘সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু অ্যাপিল’ এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সিজেকেএস নির্বাচন কার্যক্রম ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত থাকবে। এ নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম আপিল বিভাগের এখতিয়ারের বিষয় উল্লেখ করে গত ২৮ নভেম্বর সিজেকেএস সভাপতি অর্থাৎ জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়ে সিপি ৩৬০০/২৩ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করেন সহসভাপতি পদপ্রার্থী দিদারুল আলম চৌধুরী।