সিএমপি কমিশনার সমীপে

22

মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন ৪ নং ওয়ার্ড বহদ্দারহাটস্থ পূর্ব-দক্ষিণ ফরিদের পাড়া এলাকাটি খুবই সুপরিচিত ও লক্ষাধিক লোকের বসবাস। চান্দগাঁও থানার মাত্র আধা কিলোমিটারের মধ্যে এলাকাটি অবস্থিত। এখানে নানান শ্রেণি পেশার মানুষের পাশাপাশি বহিরাগতরাও বাস করে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, বিগত দুই বছর যাবত হঠাৎ করে এলাকায় উঠতি যুবকদের মধ্যে প্রায়শঃ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি, সংঘর্ষ, ইভটিজিং, পোশাককর্মীসহ স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে বখাটেপনাসহ এহেন কোন অপরাধকর্ম নেই যা পুরো এলাকায় সংঘটিত হচ্ছেনা। অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে এলাকাটি। আলোচ্য যুুবকদের বসয় ১৭-২৮ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ তাই এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সকলের কাছে অপরাধকান্ডের হোতারা ইতিমধ্যে কিশোরগ্যাং হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কিশোরগ্যাংদের কাছে পুরো ফরিদের পাড়া এলাকাবাসী জিন্মি হয়ে আছে। তরুনদের একটি অংশ ইয়াবায় আসক্ত হয়ে নানান অপকর্ম করছে। প্রতিদিন অতি তুচ্ছ ঘটনায় সাঙ্গপাঙ্গরা এমনভাবে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের পাশাপাশি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এলাকার নারী-পুরুষদের কাছে ওরা যেন মুর্তিমান আতঙ্ক। এই বাহিনী যুবকরা গাঁজা, ইয়াবা সেবন বিক্রি করে আসছে দেদারছে। আলোচ্য যুবকরা ক্ষমতাসীন দলের কর্মী-সমর্থক হওয়ার সুবাদে কেউ কিছু বলার বা প্রতিবাদ করার সাহস করছে না। যারা সাহস করে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করে তারা লাঞ্চিত, অপদস্থ এমনকি মৃত্যুর হুমকিও পেয়ে আসছে অনবরত।এমতাবস্থায়, যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে হতাহতের ঘটনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। তাই আলোচ্য এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান জরুরী হয়ে পড়েছে। অনতিবিলম্বে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে অপকর্মে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি প্রদানের জন্য অপরাধরূপে আইনে সোপর্দ করে এলাকার মানুষদের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশে বসবাস করার সুযোগ করে দিবেন এটাই আপনার প্রতি প্রত্যাশা।
এলাকাবাসীর পক্ষে-
মো. আবদুল হাকিম, জামিলা ভবন, ফরিদের পাড়া, চট্টগ্রাম