সিআরবিতে হাসপাতাল হলে সবুজের চিহ্ন থাকবে না

11

 

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের প্রক্রিয়া কোনো বিবেকবান মানুষই মেনে নিতে পারে না। প্রথমতঃ এটি সরকারি ভাবেই হেরিটেজ জোন হিসেবে খ্যাত। দ্বিতীয়ত এখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম জিএস শহীদ আবদুর রবসহ আটজন শহীদের কবর রয়েছে। শহীদের কবরের উপর হাসপাতাল কেউ মেনে নিবে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুতেই শহীদের কবরের উপর হাসপাতালের নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করতে দিচ্ছেন- আমরা বিশ্বাস করি না। তাঁকে ভুল বুঝানো হয়েছে। সিআরবিতে হাসপাতাল হলে সবুজের চিহ্ন থাকবে না। গত বৃহস্পতিবার সিআরবিতে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে আলোচকবৃন্দ এ সব কথা বলেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, এখানে একটা হাসপাতাল নির্মাণের কথা বলে একটা সময় পুরো সিআরবি তারা দখল করে নেবে। গোটা সিআরবিটাই একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এজন্য এটা এখানে হতে দেয়া ঠিক হবে না। নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, যাদের ত্যাগ, রক্ত, সম্ভ্রমের বিনিময়ে আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে, সেই দেশে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত কিছুতেই বাস্তবায়িত হতে পারে না। কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, জাসদ কেন্দ্রীয় নেতা জসিম উদ্দিন বাবুল, সাবেক ছাত্র নেতা শাহজাহান চৌধুরী, সাংবাদিক মহসীন কাজী, রাশেদ হাসান, বেলায়েত হোসেন, প্রণব চৌধুরী, মোরশেদ আলম চৌধুরী, বনবিহারী চক্রবর্তী, নান্টু বড়ুয়া, সুনীল দে, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম মুন্না, বিপ্লব কুমার শীল, হাসিনা আক্তার টুনু, দিলরুবা খানম, মিনু মিত্র, আরশি, সাবের হোসেন, নুরুল হুদা, মোরশেদ আলম, মোহাম্মদ জাফর, একরাম হোসেন, মুজিবর রহমান বিপ্লব, নুরুল আজম, জায়েদিদ হোসেন প্রমুখ।