সালমা-রিতুর বিশ্বরেকর্ড, ম্যাচ সেরা নাহিদা-বাংলাদেশের বড় জয়

19

পূর্বদেশ অনলাইন
সালমা খাতুন ও রিতু মনির সপ্তম উইকেটে বিশ্বরেকর্ড জুটিতে কেনিয়া নারী দলের বিপক্ষে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ নারী দল। ৮০ রানের এই জয়ে অবশ্য সালমা-রিতুকে ছাপিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন নাহিদা আকতার। তিনি বোলিংয়ে দেশীয় রেকর্ড ভাঙেন।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কিনরারা একাডেমি ওভালে কমনওয়েলথ গেমস নারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়েই ১২৫ রান করে।
জবাবে নাহিদার বোলিং তোপে ১২.৪ ওভারে মাত্র ৪৫ রানে গুটিয়ে যায় কেনিয়া।
১২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা কেনিয়া মেয়েদের হয়ে শ্যারন জুমা সর্বোচ্চ ২০ বলে ২৪ রান করেন।
তবে দলের বাকিদের কেউই আর দুই অঙ্কের ঘরে পৌছাতে পারেননি। বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা ১২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং কীর্তি এটি। আগের সেরা ছিল ২০১৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পান্না ঘোষের ১৬ রানে ৫ উইকেট। স্পিন বোলিংয়ে ৫ উইকেট বাংলাদেশের এটিই প্রথম। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সালমা খাতুনের ৬ রানে ৪ উইকেট ছিল স্পিনে আগের সেরা।
দলের হয়ে আরও একটি করে উইকেট লাভ করেন সালমা খাতুন, সুরাইয়া আজমিন, রুমানা আহমেদ ও সানজিদা আকতার মেঘলা।

টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বিপদে পড়ে বাংলাদেশও। ওপেনার মুরশিদা খাতুন ছাড়া টপঅর্ডারের সবাই ব্যর্থ হন। মুরশিদা ১৯ বলে ২৬ করে বিদায় নেন। একটা সময় ৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৬ উইকেটে ৫০। তবে সপ্তম উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগ্রেসরা। সালমা ও রিতু গড়েন ৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।
মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে এটি সপ্তম উইকেটের বিশ্বরেকর্ড। আগের রেকর্ড ছিল তাঞ্জানিয়ার মনিকা পাসকাল ও নাসারা সাইদির। ২০১৯ সালে তারা উগান্ডার বিপক্ষে রুয়ান্ডায় সপ্তম জুটিতে তুলেছিলেন ৭২ রান। সালমা ৩২ বলে ৩টি চারে ৩৩ রান করেন। আর রিতু ৩৪ বলে ৩৯ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেন।
কেনিয়া বোলার কুইন্টোর অ্যাবেল ৩টি উইকেট নেন।
এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক মালয়েশিয়াকে ৮ উইকেট হারিয়ে শুরু করেছিল।
রোববার ম্যাচ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগামী সোমবার শেষ ম্যাচ খেলবে।