সরকারের সাফল্য ও অর্জন তুলে ধরতে হবে

23

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, ‘যে দলের জন্ম ক্যান্টনমেন্টে এবং সামরিক স্বৈরাচারের আতুঁরঘরে রাজপথে সেই দলের একক দখলদারিত্ব থাকতে পারে না। যে দলের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য আছে এবং জনগণের অধিকারের কথা বলে সে দল সব সময় রাজপথেই থাকে, আছে এবং থাকবে- এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। যারা এই শিক্ষা গ্রহণ করে না তাদের কুমতলব হলো অযৌক্তিক ইস্যু দাঁড় করিয়ে নাশকতা-অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে আঘাত করা। তাদের রাজপথে থেকে মাঠ গরম করার কোনো অধিকার নেই।
গতকাল রবিবার নগর আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক ৮ দিনব্যাপী গণসমাবেশ, শোভাযাত্রা ও প্রয়াত জননেতাদের স্মরণ অনুষ্ঠান কর্মসূচির ১ম দিনে নগরের অক্সিজেন মোড়ে ১, ২, ৩, ৭, ৪২, ৪৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সমাবেশে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আমরা কোনো দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিকে বাধা দিতে কখনো পাল্টা কর্মসূচি দিতে চাই না। তবে সরকার পতনের অযৌক্তিক আন্দোলনের নামে যদি নাশকতা ও অরাজকতা হয় এবং জনগণের জানমাল রক্ষা করাই আওয়ামী লীগের মূল ব্রত। সেই মহৎ উদ্দেশ্যে আগামি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত জনগণকে সাথে নিয়ে থাকতে চাই, আছি এবং অবশ্যই থাকবো। তিনি বলেন, পাড়ায়-মহল্লায় কিছু অনুপ্রবেশকারী ঢুকে গেছে। এরা যেকোনো সময় জনগণের জানমালের ক্ষতি করতে পারে। তাই কোথাও বা কোনো এলাকায় সন্দেহভাজন কোনো লোকের আনাগোনা দেখলেই তাদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে হবে। এছাড়া এলাকার মুরুব্বী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মন জয় করার জন্য তাদের কাছে গিয়ে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সকল প্রাপ্তি সাফল্য ও অর্জনগুলো তুলে ধরতে হবে এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী অপশক্তির অপতৎপরতাগুলোর কুফল সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করতে হবে।
শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, নির্বাহী সদস্য গাজী শফিউল আজিম, মহব্বত আলী খান, জাফর আলম চৌধুরী, ১নং ওয়ার্ডের শাহজাহান রশিদ, তানভির আহমদ, শাহজাদা আব্দুল মালেক, হুমায়ুন আলম মুন্না, জামাল উদ্দীন, আব্দুল শুক্কুর ফারুকী, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আব্দুর রহিম, ৪২নং ওয়ার্ডের সৈয়দ মো. আমিনুল হক, ৪৩নং ওয়ার্ডের মাহবুব আলম কন্ট্রাক্টর, ইলিয়াছ সরকার।
উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উপদেষ্টা সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চন্দন ধর, মসিউর রহমান চৌধুরী, আবু তাহের, দিদারুল আলম চৌধুরী, শহিদুল আলম, বখতেয়ার উদ্দীন খান, হাজী বেলাল আহমদ, মোর্শেদ আক্তার চৌধুরী, কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু, মো. শফি, মোবারক আলী, মহিলা কাউন্সিলর জেসমিন পারভিন জেসী প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি