সরকারের কাছে ৪৮ হাজার টিকা চায় চবি

6

চবি প্রতিনিধি

শতভাগ শিক্ষার্থীর কমপক্ষে একটি টিকা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত খুলবে না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। আর এই টিকা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে ৪৮ হাজার টিকার চাহিদা প্রেরণ করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। টিকা যতদ্রুত প্রদান করা হবে তত দ্রæতই খুলবে চবি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে তাদের করা একটি অনলাইন জরিপে প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী টিকার আওতায় আসার তথ্য পাওয়া গেছে। বাকিদের টিকা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে ৪৮ হাজার টিকার চাহিদা প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার এ সংক্রান্ত একটি পত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হচ্ছে। আবার এসব টিকা প্রদান করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকেন্দ্রও স্থাপন করা হতে পারে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান পূর্বদেশকে বলেন, ‘শতভাগ শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে একটি ডোজ নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হবে। সরকারের কাছে ৪৮ হাজার টিকার চাহিদা পাঠানো হচ্ছে’। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাসে পাঠদান শুরুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৈঠক শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাদের আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার একটি ডোজ নেওয়া হয়েছে এবং যাদের ক্যাম্পাসের মধ্যে সুযোগ আছে সেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বন্ধ হয় চবিও। দেড় বছর পর গত রবিবার থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। সোমবার খুলেছে মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ও নার্সিং সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।