সব প্রতিষ্ঠানের নামফলকে বাংলা ব্যবহারের দাবি

4

 

চট্টগ্রাম নগরীর সব প্রতিষ্ঠানের নামফলকে বাংলা ভাষার প্রাধান্য দেয়া প্রসঙ্গে গত বুধবার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি নিয়ে মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাষ্ট-চট্টগ্রামের একটি প্রতিনিধিদল সংগঠনটির চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে সাক্ষাত করতে আসেন। মেয়র’র পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন চসিক জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতি. দায়িত্ব) কালাম চৌধুরী। এসময় মুক্তিযোদ্ধা ডা. শাহ আলম, প্রাক্তন জাসদ ফোরাম নেতা সোলেমান খান, গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্রের মশিউর রহমান, আবদুল মাবুদ, বাসদের মহিন উদ্দিন, গণসংগহতি আন্দোলনের হাসান মারুফ রুমি, সাপ্তাহিক অনুবিক্ষনের ইন্তেখাব সুমন,শফিউদ্দিন কবির আবিদ, ছাত্রনেতা আলকাদেরী জয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপি প্রদানকালে বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্র ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ৫৪সালের নির্বাচনে ২১ দফায় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা ও শিক্ষার সর্বস্তরে বাংলা মাধ্যমে করার দাবি উঠেছিলো। ৬৬সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সকল আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিলো রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশ। স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশের ৭২ সংবিধানের ৩নম্বর অনুচ্ছেদেও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এরশাদ আমলে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ বাংলা ভাষা প্রচলন আইন ওই বক্তবেই জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। যা বাংলা ভাষা প্রচলন আইন ১৯৮৭ নামে অভিহিত আছে।
এত আইন ও বিধি বিধান থাকার পরও দেশের অনেক সরকারি বেসরকারি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এখনো ইংরেজি ভাষায় সাইনবোর্ড বা নামফলক লিখা দেখতে পাওয়া যায়। ইতিপূর্বে দাবি জানানোর পর কর্পোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযানে নেমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু এই অভিযানে ধারাবাহিকতা রক্ষা না করায় এখনো অনেক প্রতিষ্ঠানে ইংরেজী লিখা নামফলক রয়ে গেছে। এ অবস্থায় মেয়র রেজাউল করিমের হস্তক্ষেপ চেয়েছে মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্র। গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান মেয়র গুরুত্বপূর্ণ সভায় সার্কিট হাউসে থাকায় তাঁর সাথে ফোনে এই বিষয়ে আলাপ করলে তিনি এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। বিজ্ঞপ্তি