শ্রীলংকাকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

7

পূর্বদেশ ক্রীড়া ডেস্ক

পাকিস্তানের পর শ্রীলংকাকে হারিয়ে সবার আগেই ফাইনালে উঠে গেলে ভারত। এশিয়া কাপের ১৬তম আসরে এ নিয়ে ১১ বার ফাইনালে খেলবে ভারত। অতীতের ১৫ আসরের মধ্যে ভারত ৭ বার শিরোপা জিতে নেয়। গতকাল মঙ্গলবার শ্রীলংকার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২১৩ রানে অলআউট হয় ভারত। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৪১.৩ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয় শ্রীলংকা। ৪১ রানের জয়ে সবার আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে ভারত।
ভারত এর আগে গত সোমবার সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ১২৮ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ২২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় ভারত। গতকাল মঙ্গলবার লংকান দুই স্পিনার দুনিথ ওয়েলালাগে ও চারিথ আসালঙ্কার বলে বিভ্রান্ত হয়ে ৪৯.১ ওভারে ২১৩ রানেই গুঁড়িয়ে যায় রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। আগের ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৫৬ রানের পাহাড় গড়া ভারত মঙ্গলবার আড়াইশ রানও করতে পারেনি।
মঙ্গলবার শ্রীলংকা অথবা পরের ম্যাচে শুক্রবার বাংলাদেশকে হারালেই ফাইনালে উঠে যাওয়ার কথা থাকলেও ভারত তা পেয়ে যায় প্রথম ম্যাচেই। এমন সহজ সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এরপর তরুণ স্পিনার দুনিথ ওয়েলালাগের বলে বিভ্রান্ত হয়ে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে ভারত হারায় ৩ উইকেট।
২৫ বলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ রান করে ফেরেন শুভমান গিল। ১২ বলে ৩ রানে ফেরেন আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৪ বলে ১২২ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলা বিরাট কোহলি। ৪৯ বলে ৭টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ রান করে ফেরেন রোহিত শর্মা।
চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন লোকেশ রাহুল ও ইশান কিশান। এই জুটিতে তারা ৮৯ বলে ৬৩ রান যোগ করেন। এরপর ফের ব্যাটিং বিপর্যয়।
৩ উইকেটে ১৫৪ রান করা ভারত, এরপর মাত্র ৩২ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। শেষ উইকেটে পেস বোলার মোহাম্মদ সিরাজকে সঙ্গে নিয়ে ৪১ বলে ২৭ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর দুইশো পার করেন অক্ষর প্যাটেল। ৩৬ বলে ২৫ রান করা প্যাটেল বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪৯.১ ওভারে ২১৩ রানে অলআউট হয় ভারত।
শ্রীলংকার হয়ে ১০ ওভারে ৪০ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন দুনিথ ওয়ালালাগে। ওয়ানডেতে এটাই তার সেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া ৯ ওভারে ১৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন চারিথ আসালঙ্কা।