শ্বাসকষ্ট বাড়ায় সিসিইউতে খালেদা জিয়া

9

ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
গতকাল সোমবার রাতে হাসপাতালের সামনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়া এখন ‘স্বাভাবিকভাবে’ শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। আজকে ভোরের দিকে উনি একটু শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর উনাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ম্যাডামকে বিকালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে আমরা দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করব যে, উনার রোগমুক্তির জন্য আপনারা দোয়া করার জন্য বলবেন’। খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্টের কারণ বোঝা গেছে কি না জানতে চাইলে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং সেগুলো এখানকার চিকিৎসকরা কালেকটিভলি করছেন। সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সাথে সাথে দেশে বিদেশে কনসালটেন্টদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। এর পরে বিস্তারিত জানা যাবে’। এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে চিকিতসাধীন। গত ২৭ এপ্রিল গুলশানের ওই হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরার পর গত ১১ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে ব্যক্তিগত চিকিতসক টিমের তত্ত্বাবধায়নে চিকিতসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনা ভাইরাস ‘পজেটিভ’ আসে। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপপাতালে নেওয়া হয়। চেস্টের সিটি স্ক্যান ও কয়েকটি পরীক্ষার পর সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হয়।
দুর্নীতির দুই মামলায় দন্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যেতে হয়েছিল ৭৬ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে।
দেশে মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়’ শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে দুই দফা তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। তখন থেকে গুলশানের বাসাতেই থাকছেন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে বাইরের লোকজনের যোগাযোগ সীমিত। খবর বিডিনিউজের