শেক্সপিয়র পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার : ড. অনুপম সেন

3

 

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দামপাড়াস্থ কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ৪০তম ব্যাচের নবীনবরণ ও ৩৪তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান ২৩ জুন সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী শামীম সুলতানা, ট্রেজারার প্রফেসর একেএম তফজল হক এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম। ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সাদাত জামান খানের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক দুহিতা চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. অনুপম সেন বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমরা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে জীবনের বৃহৎ ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছো। এর অর্থ এই নয় যে, প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তোমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান সারাজীবন তোমাদের অন্তরে গাঁথা হয়ে থাকবে। যেহেতু প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে তোমরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছো, সুতরাং সেই বিভাগ ও বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ তোমাদের অস্তিত্বের অভিন্ন অংশে পরিণত হয়েছে।
ড. অনুপম সেন ইংরেজি সাহিত্য সম্পর্কে বলেন, ইংল্যান্ড একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ। কিন্তু সেখানে বিশ্ববিখ্যাত অনেক কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিকের জন্ম হয়েছে। শেক্সপিয়রের জন্মও সেখানে। তিনি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার। তাঁর হ্যামলেট, ম্যাকবেথ, রোমিও এন্ড জুলিয়েট, টেমপেস্ট, এজ ইউ লাইক ইট, টেইম অব দ্য শ্রু প্রভৃতি নাটক অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। তাঁর নাটকগুলোর প্রতিটি চরিত্র অনন্য ও অতুলনীয়। শেক্সপিয়র যখন লিখতে শুরু করেন, তখন ইংল্যান্ডের লোকসংখ্যা ছিল ৫৫ লক্ষ। তাদের জন্য তিনি লিখতেন। বর্তমানে বিশ্বের কোটি কোটি লোক ইংরেজি ভাষায় কথা বলে ও তাঁর রচনা পাঠ করে। তাছাড়া তাঁর রচনা বিশ্বের অজস্র ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে ছড়িয়েও গেছে। ড. সেন কালিদাস, হাফিজ ও গ্যাটের রচনা সম্পর্কেও বক্তব্য পেশ করেন। উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী শামীম সুলতানা বলেন, ইংরেজি সাহিত্য যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বলেন, বিদায় মানে ছাত্রজীবনের শেষ নয়, সম্পর্কেরও সমাপ্তি নয়। ট্রেজারার প্রফেসর একেএম তফজল হক বলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি তার শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদ বা মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে। কারণ, এ ধরনের মানুষ গড়ে না উঠলে দেশ ও সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন হয় না। তিনি আরও বলেন, ইংরেজি ভাষা তোমরা শিখবে, কিন্তু বাংলাকে অবহেলা করে নয়। বঙ্গবন্ধু নয়াচীনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম বলেন, বৃহত্তর ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসা করতে এসে ক্রমান্বয়ে এই উপমহাদেশকে নিজেদের অধীন করে নিল। তারই ফলশ্রুতিতে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য এই উপমহাদেশে প্রসার লাভ করে। সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক সাদাত জামান খান ইংরেজি বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে অধ্যয়নের পরামর্শ দেন। ইংরেজি বিভাগের জার্নাল ‘ব্রিকোলাজ’-এর মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি