লোহাগাড়ায় সাংবাদিক সাথে আ.লীগ নেতার মতবিনিময়

7

 

বিগত ৫ বছরে সাতকানিয়া-লোহাগাড়াসহ সারাদেশে অভাবনীয় উন্নয়ন হলেও লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নে কাঙ্খিত ও দৃশ্যমান সেরকম কোন উন্নয়ন হয়নি। বরং পদুয়া এলাকাটি মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এখানকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণের দুর্বলতার কারণেই সেটি সম্ভব হয়েছে বলে জানালেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সহ-সভাপতি আক্তার কামাল পারভেজ। গত ১০ জুন বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় পদুয়াস্থ নিজের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এমন অভিযোগ করেন। সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, আমি একজন আওয়ামী ও ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। স্কুলে পড়াশুনাকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হই। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৮-৯২ সালে পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। ১৯৯২-৯৫ সালের সম্মেলনে পদুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। ছাত্রজীবন শেষে দীর্ঘ সময় ধরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে থাকি। চলতি সনের গত ২৪ মে ঘোষিত লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হই। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার সামাজিক কর্মকান্ডেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেছি। দীর্ঘদিন থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে আমি আসন্ন পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই আমি আমার প্রানের সংগঠন আওয়ামী লীগ হতে দলীয় মনোনয়ন চাইবো। আমি সকলের সহযোগিতা নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে পদুয়া ইউপি নির্বাচনে চেযারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে চাই। তিনি আরও জানান, আমি অবহেলিত পদুয়ার মানুষের সেবা করতে চাই। পদুয়ার মানুষকে নিয়ে সব সময় স্বপ্ন দেখি। পদুয়া ইউনিয়েন সার্বিক উন্নয়ন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পদুয়া এবং পদুয়াকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই। একটি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়া দরকার। সরকারী পৃষ্টপোষকতা ছাড়া এলাকার উন্নয়ন কিংবা পরিবর্তন সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি হতে হলে নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। তাই এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে আসন্ন পদুয়া ইউপি নির্বাচনে আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এজন্য আমি দলের উপজেলা, জেলা, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন, আমার উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাকে দলীয় প্রতীক নৌকা উপহার দিয়ে অন্তত একটি বার অবহেলিত পদুয়ার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের সেবা করার সুযোগটি করে দিবেন। মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ রাসু, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ব্যবসায়ী হাজী সোলায়মান সওদাগর, শাহ নেওয়াজ, আলহাজ্ব নুরুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহেব মিয়া, নুরুল আলম সিকদার, যুবলীগ নেতা একরামুল হক বাদশা, শাহজাহান ও আমানুল হকসহ দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিগণ।