রুমা ও রোয়াংছড়িতে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ২০ নভেম্বর পর্যন্ত

12

পূর্বদেশ অনলাইন
বান্দরবানের রুমা,রোয়াংছড়ি উপজেলায় সপ্তম দফায় ২০ নভেম্বর পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। ১০ অক্টোবর থেকে বান্দরবান জেলার রুমা-রোয়াংছড়ি,থানচি এবং আলীকদম উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাগুলোতে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু হয়, সাঁড়াশি অভিযানে নিরাপত্তা বিবেচনায় পর্যটকদের ভ্রমণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। প্রথমে ১৮ অক্টোবর থেকে অনিদিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয় বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায়। পরে ২৩ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত থানচি ও আলীকদম দুটি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে আবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জেলা প্রশাসন। এরপর ৩০ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়ানো হয়। পরে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে ৪ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত বান্দরবানের চার উপজেলায়, এরপর ৮ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত বান্দরবান জেলার রুমা-রোয়াংছড়ি, থানচি এই তিনটি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় জেলা প্রশাসন। এরপরে ১২ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ষষ্ঠ দফায় রুমা, রোয়াংছড়ি এবং থানচি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ আবার বুধবার (১৬ নভেম্বর) বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৭ম দফায় আবারোও বান্দরবানের রুমা এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলা প্রশাসন। বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি জানান, বান্দরবানের দুর্গম এলাকাগুলোতে যৌথবাহিনীর সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে আর এই সকল স্থানে যাতে ভ্রমনে গিয়ে কোন দেশি বিদেশি পর্যটক কোন সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত বান্দরবানের দুই উপজেলা রুমা এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে, তবে জেলার অন্য ৫ উপজেলাতে দেশি বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমনে কোন ধরণের বিধিনিষেধ নেই। এদিকে গত ১৮ অক্টোবর থেকে বান্দরবানের ২ উপজেলায় পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকেই বান্দরবান জেলা পর্যটকশুন্য হয়ে পড়েছে এবং বেকার সময় কাটাচ্ছে জেলার হোটেল-মোটেল ও পর্যটকবাহী যানবাহনসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।