রিকশা নিয়ে চুরি করেন তিন ভাইসহ পাঁচজন

3

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরীতে একটি চুরির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তিন ভাইসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি করা নগদ টাকা, ডলার, হীরার আংটি, ব্রেসলেট ও কানের দুল। গতকাল সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন। গ্রেপ্তার তিন ভাই হলেন- মো. মঈনুদ্দীন, রহিম উদ্দিন ও ইব্রাহিম খলিল। এদের মধ্যে মঈনুদ্দীন ও রহিমকে রবিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন মঈনুদ্দীনের স্ত্রী নয়ন তারা এবং মো. জাহাঙ্গীর নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইব্রাহিম আগেই গ্রেপ্তার হন।
ওসি নেজাম উদ্দিন পূর্বদেশকে বলেন, আসকার দিঘীর পাড় এলাকার একটি বাসায় গত ১১ অক্টোবর গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্তে তিন ভাইয়ের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। গত ১৩ অক্টোবর এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ইব্রাহীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে টানা অভিযান চালিয়ে অন্য দুই ভাইসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়।
ওসি বলেন, রহিম রিকশা চালানোর আড়ালে চুরি করে থাকে। সে তার অপর দুই ভাই মঈনুদ্দীন ও ইব্রাহীমকে যাত্রীবেশে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন অলিগলিতে। সুযোগ বুঝে মঈনুদ্দীন সানশেড দিয়ে কোনো ভবনে উঠে জানালা কিংবা বারান্দার গ্রিল বাঁকা করে ঘরে ঢুকে। আর অন্য দুই ভাই পাহারায় থাকে। চুরি করা মালামাল তারা জাহাঙ্গীরের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর রাতে আসকার দিঘীর পাড়ের ‘এবিসি মাহবুব হিলস’ ভবনের সানশেড বেয়ে তৃতীয় তলায় উঠেন মঈনুদ্দীন। বারান্দার গ্রিল বাঁকা করে আমেরিকান প্রবাসী একজনের ঘরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের অলঙ্কার, নগদ টাকা ও ডলার চুরি করে নিয়ে যায়।
ওসি নেজাম জানান, ওই বাসায় মঈনুদ্দীন একাই ঢুকেছিল। সে যে কোনো ধরনের গ্রিল পা দিয়ে বাঁকা করে ঘরে প্রবেশ করতে পারে। আগেও মঈনুদ্দীন চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল। মাস খানেক আগে জামিনে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে আবারও চুরির কাজে জড়িয়ে পড়ে।