রাউজানে রমজান আলী হাটে ডেকোরেশনসহ তিন দোকান আগুন পুড়ে ছাই

116

রাউজান সদর ইউনিয়নে অবস্থিত রমজান আলী হাটে দুস্কৃতিকারীদের আগুনে একটি ডেকোরেশনসহ (সাজ সজ্জার দোকান) তিন দোকান পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এক কোটি টাকার বেশি পরিমাণের মালামাল। অন্যদিকে শুক্রবার রাতে ডাবুয়া ইউনিয়নের বাইন্যা হাট এলাকায় একটি খড়ের গাধা (চট্টগ্রামের ভাষায় খুইজ্যা) পুড়ে গেছে। ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন এবং রমজান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন ও ইউপি সদস্য জহির উদ্দিনসহ অনেকে জানান, শনিবার ভোর চারটার দিকে বাজারের মোনাফ কোম্পানী গাউছিয়া ডেকোরেশন, রবিউল ও রকির গ্যারেজে অজ্ঞাত সূত্র থেকে আগুন লাগে। এতে একে একে সেমিপাকা তিনটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে যায়। আগুনের সংবাদ পেয়ে রাউজান ফায়ার এন্ড ডিফেন্স সার্ভিসের কর্মিরা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনলে বাজারের অন্যান্য দোকানগুলো রক্ষা পায়। রাউজান সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন অগ্নিকবলিত স্থান পরিদর্শন করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দ্রুত না আসলে পুরো বাজার পুড়ে যাওয়ার আশংকা ছিল। আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মোনাফ কোম্পানীর ডেকোরেশনের। তার কমপক্ষে ৮০ লাখ টাকার বেশি সম্পদ পুড়ে গেছে। এছাড়া উপজেরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবু জাফর চৌধুরীর মারিকানাধিন রবি নাথ ও এক ব্যক্তির গ্যারেজের দোকান পুড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। কিভাবে আগুন লেগেছে তা জানা না গেলেও ডেকোরেটার্স দোকানের মালিক আবদুল মোনাফের ছেলে আবদুল হাকিম জানান, দুস্কৃতিকারীরা রাতের আধারে এই আগুন দিতে পারে। এতে ৪০টি মেশিন, নগদ ১ লক্ষ টাকাসহ তার ৮০ লক্ষ টাকার সম্পদক পুড়ে যায় বলে তিনি জানা। এ বিষয়ে আবদুল মোনাফ রাউজান থানায় একটি ডায়েরি লিপিবদ্ধ করেন। রাউজান ফায়ার এন্ড ডিফেন্স সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম আগুন লাগার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ‘আমরা ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে মনে হচ্ছে।’ এদিকে ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার রাত সোয়া ১২টার দিকে ডাবুয়া ইউনিয়নের বাইন্যা হাট এলাকায় একটি খড়ের গাধা (চট্টগ্রামের ভাষায় খুইজ্যা) পুড়ে গেছে।