যুব গেমস কারাতে: লামার মহামুনি শিশু সদন ও বন্দরের শারমিনের সাফল্য

15

লামা প্রতিনিধি

শেখ কামাল ২য় যুব গেমস-২০২৩ এর কারাতের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২০জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ অলম্পিক এসোসিয়শনের আয়োজনে এবং বান্দরবান জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় বান্দরবান সদরের হিলভিউ কনভেনশন সেন্টারে এ খেলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারাতে ইভেন্টের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। এতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ড. মো. আমিনুর রহমান খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক সহ সভাপতি মো. শাহাজাদা আলম এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সহ সভাপতি মো: ইকবাল হোসেন বিশেষ অতিথি ছিলেন। এ ইভেন্টে বান্দরবানের খেলোয়াড়রা ৪টি গোল্ড, ৪টি সিলভার এবং ৩টি ব্রোঞ্জ লাভ করেন। এর মধ্যে ৭টি গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ জয়লাভ করে করে স্বর্ণ কন্যা জ উ প্রæ’র তত্বাবধানে পরিচালিত লামা উপজেলার মহামুনি শিশু সদনের খেলোয়াড়রা। এতে খেলোয়াড় সিংক্যউ ২ টি গোল্ড, রুইতম ২টি গোল্ড ও মাংপং ১টি সিলভার লাভ করেন। এছাড়াও দিনব্যাপী এ খেলায় চট্টগ্রামের খেলোয়াড়রা ৪টি গোল্ড, ৬টি সিলভার এবং ৮টি ব্রোঞ্জ লাভ করে। আর নোয়াখালীর খেলোয়াড়রা লাভ করে ৪টি গোল্ড, ৪টি সিলভার এবং ৪টি ব্রোঞ্জ। কক্সবাজারের খেলোয়াড়রা ১টি গোল্ড এবং ২টি ব্রোঞ্জ, কুমিল্লার খেলোয়াড়রা ১টি গোল্ড, ২টি সিলভার এবং ১২টি ব্রোঞ্জ, ফেনীর খেলোয়াড়রা ১টি ব্রোঞ্জ, রাঙামাটির খেলোয়াড়রা ২টি গোল্ড এবং ১টি ব্রোঞ্জ লাভ করে। এ বিষয়ে লামা পৌরসভা মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, শেখ কামাল ২য় যুব গেমস এ মহামুনি শিশু সদনের খেলোয়াড়দের ৭টি গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ অর্জন লামাবাসীর জন্য গৌরবের। এদিকে ৫০ কেজি কুমিতে অংশগ্রহণ করে রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে শারমিন আক্তার। সে এখন জাতীয় পর্যায়ে কারাতে ইভেন্টের ৫০ কেজি কুমিতে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করবে। চট্টগ্রাম বন্দর ক্রীড়া কমপ্লেক্সের কারাতে প্রশিক্ষণার্থী শারমিন এর বাবা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নৌ-বিভাগে কর্মরত। তার এই সাফল্যে তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বন্দর ক্রীড়া কমপ্লেক্সের পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও চট্টগ্রম জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও প্রশিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।