মেয়েদের জীবনযাত্রার উন্নতি হয়েছে

8

 

বাংলাদেশ মেয়েদের শুধু স্কুলগামীই করেনি এবং তাদের ক্যারিয়ার বা জীবনযাত্রারও উন্নতি করেছে। একটি সহজ, স্বল্প ব্যয় উপবৃত্তির কর্মসূচির মাধ্যমে একাধিক স্তরে মেয়েদের জীবনযাত্রার উন্নতি করেছে।
করোনা মহামারির সঙ্গে লড়াই করে এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটা দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। গতকাল সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মেয়েদের শিক্ষা ও গৃহীত পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। খবর বাংলানিউজের
১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে ‘একটি সহজ, স্বল্প ব্যয় উপবৃত্তি কর্মসূচি’ শুরু হয়। যা পরবর্তীতে পাকিস্তান এবং কিছু উপ-সাহারান আফ্রিকান দেশে যেমন রুয়ান্ডা এবং ঘানাতে শুরু হয় এমন উদ্যোগ। শিক্ষার জন্য সামান্য আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে এ প্রোগ্রামটি তার লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে সাফল্য অর্জন করেছে।
এ কর্মসূচির আওতায় গ্রামাঞ্চলের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি মেয়ের কিছু শর্তপূরণ করা হয়।যেমন- বিদ্যালয়ে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি, একাডেমিক দক্ষতার কিছু স্তর অর্জন, ৪৫ শতাংশ নম্বর পাওয়া ও মাধ্যমিক স্কুল শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিবাহিত থাকা।
কর্মসূচির উপকারভোগী সংখ্যা দ্বিগুনের বেশি ছাড়িয়ে গেছে। বছরের পর বছর ধরে নারী কল্যাণে একাধিক বিষয়ে অবদান রেখেছে এ কর্মসূচি। স্কুল অর্জন, কর্মসংস্থান, স্বামী/স্ত্রী নির্বাচন ও প্রজনন বিষয়ে।