‘মার না খেলে কী ভালো বোলার হওয়া যায়!’

10

‘মার না খেলে কী ভালো বোলার হওয়া যায়ৃ!’, ফোন কল রিসিভ করেই এই কথা বলে বেশ এক চোট হেসে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ফরচুন বরিশালের অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার ফোন কল পেয়েই বুঝে গেছেন, তাকে কোন প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তার হাসি ও রসিকতায় ফুটে উঠল, আগের রাতের দুঃসহ অভিজ্ঞতার ধাক্কা সামলে নিতে পেরেছেন অনেকটা।
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে মঙ্গলবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে ম্যাচে ওই ‘মার খাওয়ার’ আগ পর্যন্ত মিরাজ বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। প্রথম তিন ওভারে ১২ রান দিয়ে নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহর উইকেট। দারুণ ফিল্ডিংও করেছেন। শেষ ওভারে পাল্টে যায় পুরো চিত্র। জয়ের জন্য খুলনার প্রয়োজন ছিল ২২ রান। মিরাজের ৫ বলের মধ্যে ৪টি ছক্কা মেরে আরিফুল হক অভাবনীয় এক জয় এনে দেন খুলনাকে।
এরকম ছক্কার পর ছক্কা হজম এবং এভাবে দলের হারের কারণ হওয়া, দুটিই মিরাজের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। স্বাভাবিকভাবেই বিষণ্ন হয়ে পড়েছিলেন ম্যাচ শেষে। তবে তিনি জানালেন, অধিনায়ক ও সতীর্থদের পাশে পেয়ে আবার চাঙা হয়েছে মন। “ম্যাচ শেষে খুব খারাপ লাগছিল। তবে দল থেকে আমাকে একটুও বকা দেওয়া বা রাগ করা, কিছুই হয়নি। বরং অধিনায়ক তামিম ভাইসহ দলের সবাই খুব সাহস দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন। ম্যানেজমেন্টও পাশে থেকেছে। এসব কারণে মন খারাপ লাগাটা লম্বা হয়নি।”