মানহীন ৫২টি খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

152

বিএসটিআই’র মানের পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ বিভিন্ন কোম্পানির ৫২টি খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট, ব্যবস্থা নিতে বলেছে উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে। বাজারে থাকা ১৮টি কোম্পানির এসব পণ্য দ্রæত অপসারণ করে ধ্বংস এবং মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার উৎপাদন বন্ধ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিএসটিআই’র প্রতিবেদন শিল্প মন্ত্রণালয় প্রকাশের পর একটি রিট আবেদনে রবিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে এসব নির্দেশ বাস্তবায়ন করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আদালত; এজন্য প্রয়োজনে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করতেও বলা হয়েছে। আগামী ২৩ মে এ্ই রিট আবেদনের পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছে আদালত।
গত ২ মে শিল্প মন্ত্রণালয় এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, বিএসটিআই রোজার আগে বাজার থেকে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫২টি নিম্নমানের পণ্য চিহ্নিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে এবং অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। এরপর এসব খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার, জব্দ ও মান উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে গত ৮ মে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার সোসাইটি (সিসিএস)’র পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান এই রিট আবেদন করেন।
পরদিন ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে মানহীন খাদ্যপণ্যের তালিকা দেখে বিচারক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘কোনো কোম্পানিই তো বাদ নাই’। এসব পণ্যের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা জানাতে আদালত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দু’জন কর্মকর্তাকে তলব করে।
বিএসটিআই’র উপ-পরিচালক মো. রিয়াজুল হক ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক সহদেব চন্দ্র সাহা গতকাল রবিবার হাজির হওয়ার পর রুলসহ আদেশ দেয় হাই কোর্ট।
বিএসটিআই’র ল্যাব পরীক্ষায় ধরা পরা ৫২টি নিম্নমানের খাদ্যপণ্য দেশের বাজার থেকে প্রত্যাহার বা জব্দ করতে এবং বিএসটিআই’র নির্ধারিত মান লঙ্ঘন করে নিম্নমানের ৫২টি খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে আদালত।
খাদ্য, বাণিজ্য, শিল্প সচিব, বিএসটিআইর মহাপরিচালক (ডিজি), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেছুর রহমান। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. ফরিদুল ইসলাম।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, নিম্নমানের ৫২টি পণ্য বাজারে থাকলে তা বাজার থেকে তুলে নিয়ে সেগুলো ডেসট্রয় (ধ্বংস) করতে। এসব কোম্পানির পণ্য বিএসটিআই’র মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে’।
রিট আবেদনকারী শিহাব উদ্দিন বলেন, বিএসটিআই’র মান পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ৫২টি নিম্নমানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণের পাশাপাশি এসব নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, খাদ্য মানের এই পরীক্ষা শুধু রোজার মাসেই হওয়া উচিত না। সারা বছরই এ অভিযান থাকা উচিত। খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এই দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের হলেও জনস্বার্থ বিবেচনায় বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের কথা তুলে ধরেছে হাই কোর্ট। পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘যদিও এ বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের। আদালতের এগুলো দেখার বিষয় না। তারপরও জনস্বার্থ বিবেচনায় এ বিষয়গুলো আদালত এড়িয়ে যেতে পারে না। খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। তাছাড়া এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য প্রত্যেকটা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশগ্রহণ করা দরকার’।
সরকার প্রধানের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বিচারক বলেন, ‘সরকার ও সরকার প্রধানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে, তারা যেন খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রয়োজনে খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, যেভাবে মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে করা হয়েছে’।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর বলেন, ‘আমরা আশা করি সরকার খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে’।
খাদ্যপণ্যের পাশাপাশি পাইপলাইনে সাধারণ মানুষের জন্য ওয়াসার বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতেও বলেছে আদালত।

খাদ্যে ভেজাল বন্ধে
‘যুদ্ধ ঘোষণা’ চায়
হাইকোর্ট

খাদ্য নিরাপত্তা প্রশ্নেও মাদকবিরোধী অভিযানের মতো ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে ভেজাল বা নিম্নমানের খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে সরকার ও সরকার প্রধানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য অপসারণের আদেশ দিতে গিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এই আহ্বান জানায়। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ বলেন, ‘সরকার ও সরকার প্রধানের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রয়োজনে খাদ্য নিরাপত্তা প্রশ্নে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, যেমন মাদকবিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর মে মাসে এক অনুষ্ঠানে জঙ্গি দমনের মতো ‘মাদক ব্যবসায়ী’ দমনে ‘বিশেষ অভিযান’ শুরুর কথা জানান। ওই অভিযান সফল করতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা নিয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পরে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত এই ‘যুদ্ধ’ চলবে। শুরুতে র‌্যাব এই অভিযানে থাকলেও পরে গোয়েন্দা পুলিশ, রেল পুলিশ, থানা পুলিশ এবং বিজিবিকেও মাদকবিরোধী অভিযানে দেখা যায়।
এই ‘যুদ্ধের’ অংশ হিসেবে গত এক বছরে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলেছে। মাদক উদ্ধার, আটক-গ্রেপ্তারের পাশাপাশি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে সন্দেহভাজন বহু মানুষ। এবার রোজার আগে বাজারের বিভিন্ন পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করে বিএসটিআই ১৮ কোম্পানির ৫২টি পণ্যে নির্ধারিত মান না পাওয়ার কথা জানালে বিষয়টি হাই কোর্টে আনে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার সোসাইটি (সিসিএস)।
তাদের রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে হাই কোর্ট গতকাল রবিবার যে আদেশ দিয়েছে, সেখানে বিএসটিআইয়ের মান পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ ১৮ কোম্পানির ৪৬টি ব্র্যান্ডের ৫২টি পণ্য বাজার থেকে অপসারণ করে উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বাজারে থাকা এসব পণ্য দ্রæত অপসারণ করে ধ্বংস করার পাশাপাশি মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে এসব নির্দেশ বাস্তবায়ন করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। মামলাটি আগামী ২৩ মে পরবর্তী আদেশের জন্য রেখেছে আদালত। খবর বিডিনিউজের
আদালত আদেশে বলেছে, ‘খাদ্য মানের এই পরীক্ষা শুধু রোজার মাসেই হওয়া উচিৎ না। সারা বছরই এ অভিযান থাকা উচিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা শুধুমাত্র একজন কর্মকর্তা হিসেবে না, একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে জনসাধারণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে যেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন। আদালত সেটাই প্রত্যাশা করে’।
নির্বাহী বিভাগের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ বলেন, ‘যদিও এ বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের। আদালতের এগুলো দেখার বিষয় না। তারপরও জনস্বার্থ বিবেচনায় এ বিষয়গুলো আদালত এড়িয়ে যেতে পারে না। খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে আপস বা বরদাস্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তাছাড়া এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য প্রত্যেকটা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানর সমন্বিতভাবে কাজ করা উচিত’।
খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়ে বিচারক বলেন, ‘খাদ্যে ভেজাল আর চলতে পারে না। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ কোন দিকে অগ্রাধিকার দেবে যদিও তা আদালতের বলে দেওয়ার বিষয় না, তবে খাদ্যে ভেজালের বিষয়টিকে এক নম্বর অগ্রাধিকার দিয়েই কাজে নামা উচিত’।
পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসা যেন সাধারণ মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে, সে বিষয়েও নজর দিতে বলেছে আদালত।

যে ৫২টি পণ্য
প্রত্যাহারের
নির্দেশ

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় অকৃতকার্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষায় অকৃতকার্য খাদ্যপণ্যগুলো হলো : সিটি ওয়েলের তীর সরিষার তেল, গ্রিন ব্লিচিংয়ের জিবি সরিষার তেল, শবনমের পুষ্টি সরিষার তেল, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েলের রূপচাঁদা সরিষার তেল, কাশেম ফুডের সান চিপস, আররা ফুডের আরা ড্রিংকিং ওয়াটার, আল সাফির ড্রিংকিং ওয়াটার, শাহারী অ্যান্ড ব্রাদার্সের মিজান ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ন ডিউয়ের ড্রিংকিং ওয়াটার, ডানকান ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার, আর আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, নিউজিল্যান্ড ডেইরির ডুডলি নুডলস, শান্ত ফুডের টেস্টি- তানি ও তাসকিয়া সফট ড্রিংক পাউডার, জাহাঙ্গীর ফুডের প্রিয়া সফট ড্রিংক পাউডার, ড্যানিশের হলুদের গুঁড়া, প্রাণের হলুদের গুঁড়া, তানভির ফুডের ফ্রেশের হলুদের গুঁড়া, এসিআইয়ের ধনিয়ার গুঁড়া, প্রাণের কারি পাউডার, ড্যানিশের কারি পাউডার, বনলতার ঘি, পিওর হাটহাজারী মরিচের গুঁড়া, মিষ্টিমেলা লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মিঠাই সুইটস এর লাচ্ছা সেমাই, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, এসিআইয়ের আয়োডিন যুক্ত লবণ, মোল্লা সল্টের আয়োডিন যুক্ত লবণ, কে আর ফুডের কিং ময়দা, রুপসার দই, তাঊয়েবা ফুডের মক্কার চানাচুর, ইমতিয়াজ ফুডের মেহেদীর বিস্কুট, বাঘাবাড়ির স্পেশাল ঘি, নিশিতা ফুডসের সুজি, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মঞ্জিলের হলুদ গুঁড়া, মধুমতির আয়োডিনযুক্ত লবণ, সান ফুডের হলুদের গুঁড়া, গ্রিন লেনের মধু, কিরণের লাচ্ছা সেমাই, ডলফিনের মরিচের গুঁড়া, ডলফিনের হলুদের গুঁড়া, সূর্যের মরিচের গুঁড়া, জেদ্দার লাচ্ছা সেমাই, অমৃতের লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপারের আয়োডিনযুক্ত লবণ, তিন তীরের আয়োডিনযুক্ত লবণ, মদিনার আয়োডিনযুক্ত লবণ, তাজ আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং নূরের আয়োডিনযুক্ত লবণ। খবর বাংলা ট্রিবিউনের