মহেশখালীতে আইএসডিই সাইক্লোন মোখা প্রকল্পের পরিচিতি সভা

18

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীকি মার্মা বলেছেন, সমুদ্র উপকূলীয় উপজেলা মহেশখালী সবসময় দুর্যোগ ঝুঁকিতে থাকলেও সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ ও পূনর্বাসন সহায়তা তেমন একটা এই উপজেলায় আসে না। যার কারণে এই দ্বীপ উপজেলায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণ দুর্যোগ সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত। সাইক্লোন, বন্যাসহ সাইক্লোন মোখা ও হামুনের মতো নানা ঘূর্ণিঝড়ে সবসময় ঝুঁকিতে থাকে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই ও ব্র্যাক সাইক্লোন মোখা ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠির পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। আশা করেন অন্যান্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসবেন। তবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন করা সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মাঠ পর্যায়ে যথাযথ জরিপ করে ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগী তৈরি করা হলে অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত জনগণ উপকৃত হবে। ৩০ নভেম্বর মহেশখালী উপজেলা পরিষদ হলে আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় সাইক্লোন মোখায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠির পুনর্বাসনে সাইক্লোন মোখা রেসপন্স প্রকল্পের প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীকি মার্মা এসব কথা বলেন।
আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডন্টে এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিরাজুল ইসলাম, সুব্রত দত্ত, ব্র্যাক প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী ওসমান জাহাঙ্গীর, মো. জসিম উদ্দীন সিদ্দীক, জয়নাল আবেদীন, কালারমারছড়া ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ আলী ও ইসমত আরা বেগম প্রমুখ। প্রকল্পের অর্থ ও লজিস্টিক অফিসার জিয়াউল ইসলাম শিহাবের সঞ্চালনায় প্রকল্পের পরিচিতি উপস্থাপন করেন আইএসডিই বাংলাদেশের কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে মোখায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি পরিবারের মাঝে নতুন ঘর তৈরি, ১১ আংশিক ঘরের সংস্কার, ১৪টি নতুন নলকূপ স্থাপন, ১৪টি ক্ষতিগ্রস্ত নলকূপের প্লাটফরম সংস্কার করবে। যার মাধ্যমে ২৩৬টি পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে।