মন ভালো রাখার চটজলদি উপায়

33

প্রতিদিনের কর্মব্যস্ত জীবনে সবাই ক্লান্ত। টানা দীর্ঘদিন ঘরে বসে কাজ করে কমবেশি সকলেরই মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত। এতদিন ধরে কারোর সঙ্গে কথা বলা নেই, চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দি। সেই সঙ্গে মেজাজ খিটখিটে। কারোর সঙ্গেই ভালো করতে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। পরিচিতজনদের সঙ্গে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখা মুশকিলের হয়ে যাচ্ছে। ভুল বোঝাবুঝি বাড়ছে। রাগের মাথায় কখন কি বলছেন বা করছেন কিছুই খেয়াল থাকছে না। এর ফলে আপনার নিজেরও শরীর খারাপ হচ্ছে. যা আপনি বুঝতেই পারছেন না। মানসিক চাপ থাকলেই বাড়বে রক্তচাপ, আসবে ডায়াবিটিসের মতো সমস্যাও। খাবার থেকেই আমরা প্রয়োজনীয় শক্তি পাই। শরীর ভালো রাখতেই খাওয়া। আর তাই এমন কিছু খাবার আছে, যা অবসাদকে বাড়িয়ে তোলে তেমনই অনেক খাবার আছে যা মনকে খুব তাড়াতাড়ি ভালো করে দিতে পারে। মন ভালো থাকলে কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই দেখে নিন ঠিক কোন কোন খাবারে আপনার মন আর শরীর দুই থাকবে সুস্থ।
ডার্ক চকোলেট: মন ভালো রাখতে চকোলেটের জুড়ি মেলা ভার। আর তাই অবশ্যই খাদ্য তালিকায় রাখুন চকোলেট। তবে মিল্ক চকোলেট একেবারেই নয়।
ডিম: ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এছাড়াও ডিম খেলে ওজন কমে। এনার্জি বাড়ে। ডিম পুষ্টিতে ভরপুর।
টমেটো: টমেটোর মধ্যে থাকা লাইকোপেন মন ভালো করে। এছাড়াও আছে ফোলেট, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন যা মন ভালো করার অনুঘটক। তাই টমেটোর সস দিয়ে যেকোনও খাবার, কিংবা শেষ পাতে টমেটোর চাটনি এত মন ভালো করে দেয়।
মধু: উদ্বেগ, মনখারাপ নিমেষের মধ্যে সারিয়ে দেয় মধু। মন ভালো রাখতে মধুর থেকে ভালো আর কিছু হয় না। সেই সঙ্গে হজমও হয়। এছাড়াও মধুর অনেক গুণ রয়েছে। তাই প্যানকেকে মধু ছড়িয়ে কিংবা গ্রিণ টি-তে সামান্য মধু মিশিয়ে খাোয়ার কথা বলা হয়।
ফল ও শাকসবজি : স্বাস্থ্যকর তো অবশ্যই। পাশাপাশি ফল ও সবজি মন ভালো রাখতেও সাহায্য করে। ফলের তৈরি পাই, স্মুদি, আইসক্রিম ইত্যাদি মানসিক অবস্থা উন্নতির জন্য দারুণ উপকারী। পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজিও মানসিক অবস্থা ভালো করতে সাহায্য করে। ফল ও সবজিতে রয়েছে ফাইটোকেমিকল, ভিটামিন সি এবং প্রোটিন, যা মন ভালো করতে সাহায্য করে। সূত্র: ইন্টারনেট