‘ভোটের মাঠে সন্ত্রাসী নামিয়েছে বিএনপি’

21

বিএনপির ষড়যন্ত্র থেকে চট্টগ্রামবাসীকে সতর্ক থাকার আহব্বান জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেছেন, ভোটের মাঠে শান্ত চট্টগ্রামকে অশান্ত করতে বিএনপি সন্ত্রাসী জড়ো করছে। একইসাথে ইভিএম নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। এরা সাংগঠনিকভাবে শক্তি হারিয়ে জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ও দাগি আসামিদের নির্বাচনী মাঠে নামাচ্ছে। যারা মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে তাদের জড়ো করে ভোটের আগে-পরে, ভোটের দিন চট্টগ্রামে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা নাশকতা করে আওয়ামী লীগের উপর দায় চাপাতে চায়। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন দল বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কারণ, তারা বুঝে গেছেন চট্টগ্রামের মানুষ শেখ হাসিনার নৌকার পক্ষে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা ছাড়া কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারে না। মাস্তান, সন্ত্রাসী দিয়ে কেউ ক্ষমতায় যেতে পারে না। জনগণের আস্থা একজন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের শক্তির উপরই থাকবে। জনগন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শক্তিকেই জয়ী করবে।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ইভিএমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দিতে হয়। ব্যালটে শক্তি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক ভোট দেয়া যায়। ইভিএমে সিল মারার নিয়ম না থাকায় যার ভোট তাকেই দিতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করছে। শেখ হাসিনা সরকার ইভিএমকে সমর্থন দিয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী বুঝে গেছেন উনি ভোটে হারবেন। তাই ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আমরা চাই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হোক। কোনো সন্ত্রাসী যাতে বিএনপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক প্রমুখ।