ভারতের সঙ্গে ট্রানজিট চলতি সপ্তাহে শেষ হচ্ছে ট্রায়াল রান

4

নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রানজিট চুক্তির আওতায় ভারতের মেঘালয় থেকে আট টন চা পাতার একটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। চালানটি চলতি সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘এমভি ট্রান্স সামুদেরা’ নামের কার্গো জাহাজে করে কলকাতা পাঠানো হবে। এটি কলকাতায় পৌঁছালে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর দিয়ে ট্রানজিটের চারটি ট্রায়াল রান শেষ হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি থেকে আট টন চা পাতার একটি চালান সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। চালানটি সড়কপথে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এই ধরনের চালান মেঘালয় থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে কলকাতা যাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। চলতি সপ্তাহে চালানটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘এমভি ট্রান্স সামুদেরা’ নামের কার্গো জাহাজে করে কলকাতা পাঠানো হবে।
ট্রান্স সামুদেরা জাহাজের শিপিং এজেন্ট ম্যাঙ্গো লাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল সুজন ভ‚ঁইয়া জানান, ভারতের মেঘালয় থেকে আট টন চা পাতার একটি চালান সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর হয়ে সড়কপথে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এটি ট্রানজিটের ট্রায়াল রানের শেষ চালান। জাহাজের কিছু মেরামতের কাজসহ বৈরি আবহাওয়ার কারণে কলকাতায় চালানটি পাঠাতে সময় লাগছে। তবে চলতি সপ্তাহের মধ্যে চালানটি কলকাতা পাঠানোর আশা করছি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরীক্ষামূলক চালানগুলোতে পণ্য পরিবহনে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে চিহ্নিত করে তা সমাধান করা হবে। এরপর চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের ট্রানজিট পণ্যের আনুষ্ঠানিক চলাচল শুরু হওয়ার কথা।
জানা যায়, ভারতের মূল ভূখন্ড থেকে ওই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বেশি লাগে। এজন্য ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য পরিবহনে দুই দেশের মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতে পণ্য আনা-নেওয়া করা হবে। এই চুক্তির আওতায় ২০১৯ সালে এসওপি সই হয়। এরপর ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার প্রথম চালান আনা-নেওয়া করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ভারতের ট্রানজিটের পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহনে প্রস্তত রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। সেই সঙ্গে ট্রানজিটের কারণে এই বন্দরের ওপর কোন ধরনের চাপ পড়বে না।