বৈজু বাওরা প্রদর্শন ও শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান

88

সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ বাংলাদেশ’র উদ্যোগে উচ্চাঙ্গ সংগীতের খ্যাতনামা শিল্পী উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া স্মরণে “বৈজু বাওরা” চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট(টিআইসি) হলে সম্প্রতি অনুষ্টিত হয়। এই চলচ্চিত্রটি সম্রাট আকবরের শ্রেষ্ঠ রত্ন তানসেন এবং তার গুরুভাই বৈজুকে নিয়েই তৈরী হয়েছে। এতে কণ্ঠদান করেছেন প্রাতঃস্বরণীয় বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ উস্তাদ আমীর খাঁ, পন্ডিত ভি. পালুস্কর, বিখ্যাত শিল্পী মোহাম্মদ রফি ও লতা মঙ্গেশকরের মতো আরও শিল্পীরা। সংগীত পরিচালক ছিলেন সুবিখ্যাত নাওশাদ। শাস্ত্রীয় সংগীতের রসদ শ্রোতা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক সকলের কাছেই এটি একটি দেখার মত চলচ্চিত্র। সদারঙ্গের অনুষ্টানের প্রথম পর্বে এটি একটি প্রশংসাযোগ্য। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান শুরু হয়। এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের এ্যাটাচী এমডি পুরকায়স্থ। তিনি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্বিবিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পন্ডিত স্বর্ণময় চক্রবর্তী। অনুষ্টানটির সহযোগিতায় ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন। বাংলাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতে যাঁর অবদান চির স্মরণীয় তিনি উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া। এ অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয়েছে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে। এরপর শুরু হয় মূল সংগীতানুষ্টান। শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠানের শুরুতে ইমন রাগে প্রথমে বিলম্বিত একতাল ও পরে দ্রুত ত্রিতালে খেয়াল পরিবেশন করেন শিল্পী রাজিব দাশ (চট্টগ্রাম)। তাকে সহযোগীতা করেন তবলায় সুরজিৎ সেন, হারমোনিয়ামে শিল্পী প্রমিত বড়ুয়া ও তানপুরায় সম্পদ বড়ুয়া। পরের পরিবেশনায় ছিল বাঁশি। রাজশাহীর শিল্পী শরৎ কুমার পাল বাঁশিতে পরিবেশন করেন রাগ ও খেয়াল। তাকে সহযোগিতা করেন তবলায় দিনাজপুরের শিল্পী ইফতেখার আহমেদ প্রধান ও তানপুরায় সম্পদ বড়ুয়া। অনুষ্টানে পরিবেশনায় ছিলেন নাটোরের শিল্পী আলমগীর পারভেজ সুমন। তিনি পরিবেশন করেন রাগে ও খেয়ালে একটি ঠুমরী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন তিথিনু মার্মা। বিজ্ঞপ্তি