বে-টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের কোম্পানি

21

নিজস্ব প্রতিবেদক

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ওমর হাজ্জাজের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শিলা পিল্লাই’র নেতৃত্বে দেশটির ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চেম্বার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ-সহ হাইকমিশন ও সিঙ্গাপুরের মিনিস্ট্রি অব ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধি, এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুর এবং পিএসএ’র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স শিলা পিল্লাই বলেন, ভৌগোলিকভাবে চট্টগ্রামের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে সিঙ্গাপুরের। ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর হিসেবে সিঙ্গাপুরের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্পর্ক রয়েছে। চট্টগ্রামে অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে যা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।
তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ হিসেবে বে-টার্মিনাল নির্মাণের যে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে তাতে কাজ করতে সিঙ্গাপুরের কোম্পানির আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিনিয়োগের আদর্শ গন্তব্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। এ সকল অবকাঠামো এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধাসমূহ কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামে ব্লু ইকোনমি, পর্যটন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। পাশাপাশি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের লজিস্টিক খাতের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতারও অনুরোধ জানান। ওমর হাজ্জাজ বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা খাতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন আউটসোর্সিং ও আইটি সেবা আমদানির আহবান জানান প্রতিনিধি দলকে। এছাড়া চট্টগ্রামকে সিঙ্গাপুরের ন্যায় একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন।
সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশসহ প্রায় ৪০টি দেশের লজিস্টিক্স খাতে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীরা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র বন্দর এবং বে-টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিপিং সেক্টরে আরো বিনিয়োগ বাড়বে বলে উল্লেখ করে শিপিং ও লজিস্টিক্স সেক্টরে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন জটিলতা দূরীকরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।