বিশ্ব রাজনীতিতে অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ

2

সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ঐতিহ্যগতভাবে দুই দেশের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের এ সম্পর্কে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন চসিক বই মেলার আজকের প্রধান প্রধান অতিথি চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বর্তমান সরকারের আমলে আর্থসামাজিকতা তো বটেই বিশ্ব রাজনীতিতেও বাংলাদেশ নিজের দৃঢ় অবস্থানটি তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে ভারত সবসময় ছিল, আছে এবং থাকবে। এই দুই ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধুরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের যে বন্ধন রয়েছে তা আরো দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হচ্ছে। প্রতিটি উৎসব আমাদেরকে আনন্দ দেয়, অনুপ্রেরণা যোগায়।পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিকভাবে উন্নত মানুষে পরিণত করে। জীবনকে আনন্দময় করে তুলতে উৎসবের শিক্ষাকে হৃদয়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও প্রাচীন। দুই দেশের সংস্কৃতি এক ও অভিন্ন। এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। বাংলাদেশে চট্টগ্রামর সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ।
ডা. রাজীব রঞ্জন ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বকে ১৯৭১ সালের আত্মত্যাগের মূলে নিহিত উল্লেখ করে বলেন, ‘এ মাটিতে ভারতীয় সৈনদের রক্ত যেমন রঞ্জিত, মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তেও রঞ্জিত। আমরা যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন আমরা একথাটি মনে রাখব। কেননা এ সম্পর্ক শুধু রক্তের নয়, মৈত্রীরও বটে।
গতকাল বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতায় অমর একুশে বই মেলা মঞ্চে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও রুমিলা বড়ুয়ার সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু ও আলোচকের বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীর, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য ও সংস্কৃতি কর্মী ব্রিজেট ডায়েস। বিজ্ঞপ্তি