বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

6

বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গতকাল বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর বঙ্গবন্ধু ফ্রিডম স্কোয়ারে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সালাহউদ্দিন চৌধুরী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এএফএম আওরঙ্গজেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ফ্যাকাল্টি অব ইসিই এর ডীন ও শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর এর পরিচালক প্রফেসর ড. মশিউল হক। কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক সাবরিনা জাহান মাঈশা ও বৃষ্টি রায় চৌধুরী এর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর প্রাক্তন ছাত্র সৌরভ বড়ুয়া, নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা কমিটির আহŸায়ক কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আবদুল ওয়াহাব, বিদায়ী এবং নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাহিনুর মেহজাবিন সুলতানা মাহি, আরমান ফেরদৌস অয়ন, ইরফাত মোহাম্মদ ফাহিম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর এএনএম ইউসুফ চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নারায়ন বৈদ্য, এমবিএ কো-অর্ডিনেটর সৌমেন চক্রবর্তী, ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অনিন্দ্য কুমার নাথ, আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবদুল হান্নান, জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া ষ্টাডিজ বিভাগ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইমরান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. জিয়া উদ্দিন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন শাহরিয়ার, কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মো. নুরুল আবছার, মো. মঞ্জুর আলম, সামশুন নাহার সোমা, অভিজিৎ পাঠক, মুনমুন বিশ্বাস, ফেরদৌস আরা, শুভাশীষ ঘোষ, মো. আসাদুজ্জামান ও মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. এএফএম আওরঙ্গজেব বলেন, আধুনিক এই পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তি, প্রযুক্তির সাথে সবচেয়ে বেশী সংযোগ হচ্ছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীদের। তাই ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে তোমাদের আরো বেশি দক্ষ হতে হবে। বাংলাদেশ আজ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল, আর তা অনেকটা সম্ভব হয়েছে বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তির প্রতি যথাযথ নজর দেওয়ার কারণে। ডিজিটাল বাংলাদেশ সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে গেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীরা বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর প্রফেসর ড. মশিউল হক বলেন, প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তির সমন্বয়ে পৃথিবী এগিয়ে চলছে। প্রযুক্তি এখন পৃথিবীর সবকিছুকে অনেক কাছে এবং সহজলভ্য করে দিয়েছে। পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির উৎকর্ষতা সাধন হচ্ছে, সেই ক্ষেত্রে আপনাদের সকলকে সব সময় নতুন নতুন তথ্য এবং সৃষ্টি সম্বন্ধে অবগত থাকতে হবে। বর্তমান সময়ে অনেক কিছু প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল, সেই নিরিখে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কর্মক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। আমরা যারা প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তির সাথে জড়িত আছি তারা যদি সকলে যার যার স্থান থেকে দক্ষতা প্রদর্শন করি তাহলে ২০৪১ সালের পূর্বেই বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে। আমি আশা করি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। বিজ্ঞপ্তি