বিএনপির সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে : কাদের

2

বিএনপি নির্বাচন বর্জনের যে নীতি গ্রহণ করেছে, তা দলটির জন্য আত্মঘাতী হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নীতি তাদের দলের কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা ছাড়া আর কিছু নয়। গতকাল বুধবার ঢাকায় যাত্রাবাড়ি-ডেমরা মহাসড়ক চার লেইন প্রকল্প উদ্বোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আসন প্রাপ্তির যে হিসাব বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দিয়েছেন, তা ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুলকে মনে করিয়ে দিতে চাই, ২০০৮ সালে বিএনপি বলেছিল, আওয়ামী লীগ ৩০টি আসনও পাবে না। পরে দেখা গেল, তাদেরই ৩০টি আসন পেতে কষ্ট। এখনও বলছে আওয়ামী লীগ কি না ৩০টি আসনও পাবে না। আগে ভাগে তাদের এই সংখ্যা তত্তে¡র হিসাব হাস্যকর।
তিনি বলেন, আমরা সংখ্যা তত্তে¡র হিসাবে বিশ্বাসী নই। ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ নেতৃত্ব নির্বাচন করবে। জনগণের রায় যেটাই হোক, সেটা মেনে নেওয়ার সৎ সাহস শেখ হাসিনার আছে। কিন্তু যারা নিজেদের আকাশসম জনপ্রিয়তার দিবাস্বপ্ন দেখেন তারা কেন নির্বাচনকে ভয় পান। খবর বিডিনিউজের।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যার নেতত্বে বিএনপি চলছে, তিনি একজন পলাতক আসামি। সবচেয়ে বড় কথা হল, তিনি মুচলেকা দিয়ে রাজনীতি করবেন না বলে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। আর ফিরে আসেননি। কাজেই পালানোর অভ্যাসটা তাদেরই।
বিএনপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা বললেও স্বতন্ত্র প্রার্থী দিচ্ছে বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তলে তলে নিচ্ছেন, উপরে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করছেন। কেন তাদের প্রকাশ্যে নির্বাচন করতে এত ভয়? নির্বাচনে দিনে-দুপুরে তারা পালিয়ে যান, এখনও যান। আসলে বিএনপি নেতারা জনগণের জন্য কখনও রাজনীতি করেননি, এখনও করেন না।
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও তিনটি ধাপে সারাদেশে তিন হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের সেজন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা বলেন কাদের।
দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি মনোনয়ন পেলে সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আওয়ামী লীগ খতিয়ে দেখছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে (প্রার্থী) সংশোধনের উদ্যোগ নিচ্ছি।