বাবুনগরীর সাথে কথা বলল পিবিআই

18

দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত দল।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা অবস্থান করেন।
পরিদর্শন দলে ছিলেন পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, আল্লামা শফি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শাইখুল হাদিস ও হেফাজতের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে মামলার বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরী হুজুরের খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (পিবিআই) মো. ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, এজাহারে যা উল্লেখ করা হয়েছে সব কিছুই তদন্ত করা হবে। লাশ উত্তোলনের প্রশ্নে তিনি বলেন, এখনও এ রকম কোনো সিন্ধান্ত হয়নি।
পরে পিবিআই টিমটি ফটিকছড়িতেও যান। গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে’র আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। আদালতে এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
উল্লেখ্য, মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনির্দিষ্ট নেতা-কর্মীর নাম ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।