বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাচ্ছে মিয়ানমার

4

মিয়ানমার ‘পায়ে পা দিয়ে যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার মাদক চোরাচালানের প্রধান পথ। এটি এখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চাচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। রোহিঙ্গা প্রবেশ করানো থেকে শুরু করে পায়ে পা দিয়ে রাজনৈতিক উসকানি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় মনোভাবের কারণে আমরা এটা থেকে রক্ষা পেয়েছি। এখন যুদ্ধে যাওয়া মানে দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া। মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তারা আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধ চলাচ্ছে। তাই ওরা আমাদের সঙ্গে ঝামেলা সৃষ্টি করে ফয়দা লুটতে চাচ্ছে।
গতকাল শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বিডিনিউজ’র
মহাপরিচালক বলেন, মাদক এখন আকাশ, নৌপথ দিয়ে এবং মিয়ানমার থেকে বেশি আসছে। এটি পরিকল্পিতভাবে পাঠানো হচ্ছে। আমরা জাল ফেলে রেখেছি। মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় গ্যাংস্টারকে জালের মধ্যে ফেলেছি, আমরা কিছু করতে পারবো। মাদক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবসা। রাতারাতি ধনী হওয়ার ব্যবসা। এটা জনপ্রতিনিধিসহ সবাই জানে। কোনো একক বাহিনীর পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব না। মাদক নির্মূল করতে হলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
দেশে অভিজ্ঞ লোকের অভাব রয়েছে উল্লেখ করে র‌্যাব ডিজি বলেন, এখনকার প্রত্যেকটি ক্যাডারের মধ্যে পেশাদারিত্বের ঘাটতি রয়েছে। যেমন লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়েছে, পেশাদারিত্বে ঘাটতি রয়েছে, শৃঙ্খলায় ঘাটতি রয়েছে। এটাকে ওভারকাম করতে হলে এখন থেকে চেষ্টা করতে হবে।