ফটিকছড়িতে এক সড়কে পাল্টে গেল এলাকাবাসীর ভাগ্য

16

ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নে উৎপাদিত সবজির খ্যাতি ছিল উপজেলা জুড়ে। এখানকার সবজির জন্য মুখিয়ে থাকতেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে ইউনিয়নের মখলস এন্ড সন্স সড়কের করুণ দশার ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতেন। বর্তমানে সেই বিধ্বস্ত সড়কে কার্পেটিং হওয়ায় চিত্র পাল্টে গেছে। ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভায় যোগাযোগের মাধ্যম ২.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের সংস্কারকাজ শেষে অবশেষে চালু হয়েছে। লক্ষাধিক লোকের চলাচলের মাধ্যমে এ সড়ক সংস্কারে এক কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। দীর্ঘদিন পর গত ১ অক্টোবর সড়কটি চলাচলে উন্মুক্ত করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডায়াবেটিক হাসপাতালের সভাপতি ও চট্টগ্রাম আইন কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী। এতে উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান তৌহিদ হোসেন চৌধুরী আতিক। শাহনগর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন, মাহবুবুল আলম, তনয় হাসান চৌধুরী, মো. শহীদুল্লাহ চৌধুরী, মো. বাহাদুর, মীর খান প্রমুখ। সড়কটি চলাচলে উন্মুক্ত করে দেওয়ার পর এলাকার কৃষক আবু তাহের বলেন, সড়কটি চলাচলে সচল হওয়ায় এলাকার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে কৃষক বেশ উপকৃত হবেন। সড়কে সিএনজি চালক মো. বদিউল আলম বলেন, সড়কটি কার্পেটিং হওয়ায় এলাকাবাসী সুফল পেতে শুরু করেছেন। যান চলাচলে অনেক আনন্দ লাগছে। এতদিনের কষ্ট এবার লাঘব হয়েছে। লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের (্ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন বলেন, সড়কের কারণে কতো রোগীকে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে এর হিসাব নেই। সড়ক যোগাযোগ চালু হওয়ায় সেই অবস্থা পাল্টে গেছে। এবার এলাকাবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের পালা শুরু। তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।