প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ১৬ মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থী

14

আগামী ১৪ ফেব্রূয়ারি অনুষ্ঠিত হবে পটিয়া ও চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচন। এ উপলক্ষে মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে আপিল করে গতকাল সোমবার এ দুই পৌরসভায় প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন এক মেয়রসহ ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী।
চন্দনাইশ প্রতিনিধি জানান, চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন বাছাই পর্বে এলডিপি সমর্থিত একমাত্র মেয়র প্রার্থী আইনুল কবির ও ১০ কাউন্সিলরের মনোনয়নপত্র বাতিল করার পর গতকাল সোমবার আপিল করে এসকল প্রার্থীরা বৈধতা পেয়েছেন। গত ১৯ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের বাছাইপর্বে এলডিপি সমর্থিত একক প্রার্থী পৌর এলডিপির সভাপতি আইনুল কবিরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে রিটার্নিং অফিসার। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করার পর পরবর্তীতে মেয়রপ্রার্থী আইনুল কবিরসহ ১১ প্রার্থী চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আপিল কর্তৃপক্ষ বরাবরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের করেন। গতকাল সোমবার আপিল শুনানী শেষে সকল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন আপিল কর্তৃপক্ষ। ফলে পুনরায় চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়া এসকল প্রার্থীরা হলেন ১নং ওয়ার্ডের শাহেদুল ইসলাম, ২নং ওয়ার্ডের কেএম হামিদ উদ্দিন, মোজাম্মেল ইসলাম সোহেল ও মো. কামাল হোসেন চৌধুরী, মো. ইউসুফ, ৪নং ওয়ার্ডের মো. গোলাম মোস্তফা, ৬নং ওয়ার্ডের মো. সৈয়দ, সরোয়ার ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ডের মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী, মো. আবু ছাদেক। আজ ২৬ জানুয়ারি প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষদিন।
পটিয়া প্রতিনিধি জানান, পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনের মনোনয়ন বাছাইয়ের সময় অবৈধ ঘোষিত ছয় প্রার্থী মনোনয়ন পুনরায় বৈধ করেছেন জেলা প্রশাসক। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আপিল শুনানিতে তাদের প্রার্থিতা বৈধতা করা হয়।
তারা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোহাম্মদ নাছির ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাম কাদের, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শেখ মোহাম্মদ বেলাল, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুবেল দাশ ও ৪, ৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা আসনের প্রার্থী জেসমিন আক্তার।
ঋণ খেলাপী ও ঠিকাদারী লাইসেন্স থাকার কারণে এর আগে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রথম বাছাই পর্বে বাতিল করেন।
পটিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আরাফাত আল হোছাইনী জানিয়েছেন, বাছাইপর্বে যে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা প্রার্থীরা আপিল শুনানিতে অংশগ্রহণ করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।