প্রসঙ্গ : চট্টগ্রাম ও করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ

29

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

বিশ্ববরেণ্য মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং ভারতের প্রয়াত মান্যবর রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে আব্দুল কালামের নিগূঢ় তাৎপর্যপূর্ণ অমিয় বার্তাটি ছিল ‘জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার, খারাপ সময় না আসলে কখনো মুখোশ পরা বেইমান মানুষগুলোকে চেনা যায়না!’ করোনা অতিমারির দুঃসহ ক্রান্তিকালে তাঁর এই বার্তাটি বৈশ্বিক এবং দেশীয় পরিমন্ডলে যথার্থ বিশ্লেষণের দাবী রাখে। একদিকে প্রাণঘাতী সংক্রমণের অদমনীয় বিস্তার; অন্যদিকে করোনা মুক্তির জন্য ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও বিক্রয়, উন্নত বিশ্বের কতিপয় দেশসমূহের ক্রমবর্ধমান ¯œায়ুযুদ্ধ, স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সরঞ্জামাদির বাণিজ্যিকীকরণের অশুভ-অসম প্রতিযোগিতার লুম্পেন দৃশ্যপট অবর্ণনীয় উদ্বেগ তৈরি করেছে। আর্থ-সামাজিক ও সামগ্রিক মানব-প্রতিবেশের উপর এর নিদারুণ বৈরী প্রভাব সমগ্র বিশ্ববাসীকে অনাকাক্সিক্ষত-অনভিপ্রেত চরম এক আশঙ্কা-উৎকন্ঠায় নিমজ্জিত করেছে। করোনা থেকে যথার্থ উত্তরণ এবং সার্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে প্রায়োগিক কোন পন্থা এখনো সমধিক দৃশ্যমান নয়।
বিগত বছর শীত মৌসুমে চীনের উহান শহর থেকে আবির্ভূত করোনার সংক্রমণ-বিস্তারের প্রাদুর্ভাব পুরো বিশ্বকে অব্যাহত বিপন্ন করে তুলেছে। উন্নত-অনুন্নত ও ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে পৃথিবী নামক এই গ্রহে প্রতিটি দেশ-অঞ্চলে এই সংক্রমণের প্রসারমানতা এবং প্রাণ সংহারের পরিসংখ্যান বিরল অধ্যায় রচনা করেছে। চলমান শীতকালীন সময়ে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের আঘাত নতুন করে বিশ্বকে লন্ডভন্ড করার পূর্বাভাস যারপরনাই বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসীকে আবারো কঠিন সংকটে নিপতিত করার সমূহ সম্ভবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বে সাড়ে এগার লক্ষ ও বাংলাদেশে সাড়ে ছয় হাজারের অধিক প্রাণনিগ্রহের নির্মম পর্যায় তৈরি হয়েছে। অতিসম্প্রতি বিশ্বে একদিনেই এগারো হাজার প্রাণসংহারের ঘটনা বিশ্ববাসীকে অপরিমেয় ভীতসন্ত্রস্ত করছে। শুধু ইউরোপে প্রতি সেকেন্ডে সতের জন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি মিনিটে একজনের প্রাণনিধনের নির্মম বাস্তবতায় বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র-উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের সমগ্র নাগরিকের হৃদয়ে উৎকন্ঠার বিস্তৃতি ঘটছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর বিস্তার অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও অতিসাম্প্রতিক পরিসংখ্যান নিদারুণ উদ্বিগ্নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকা বিভাগ কেন্দ্রিক এই সংক্রমণের গতি-প্রবাহ এবং এর প্রাবল্য কিছুটা শিথিল মনে হলেও বর্তমান সময়ে চট্টগ্রামে এই অতিমারির ভয়াবহতা প্রতিনিয়ত প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। বিগত দশ দিনে এগার জনের মৃত্যু এবং সনাক্তের ক্রমবর্ধমান হার অতিশয় বিপন্নতার চিত্র উম্মোচন করছে। একত্রিশ থেকে চল্লিশ বছরের তরুণ-যুবকদের আক্রান্তের সংখ্যা অধিকমাত্রায় পরিলক্ষিত হচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ প্রতিরোধে নিবিড় সচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় মাস্ক-সামাজিক দূরত্ব-প্রাসঙ্গিক নির্দেশনা কঠোর প্রতিপালিত না হলে সংক্রমণের অত্যধিক আক্রমণ মোকাবেলা করা দুরূহ হয়ে পড়বে। চট্টগ্রামে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকলেও সম্মানিত সিভিল সার্জনের বক্তব্য অনুসারে মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট বেহাল অবস্থা নিয়ন্ত্রণ অত্যধিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।
বাংলাদেশে করোনা অতিমারির শুরু থেকেই উচ্চশিক্ষাসহ প্রাথমিক পর্যায় পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি সহনীয়-স্বাভাবিক অবস্থানে না পৌঁছুনো পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের পক্ষে বিপক্ষে নানা মতামত থাকলেও শিশু-কিশোর-তরুণদের জীবন ঝুঁকির বিনিময়ে কোন পন্থাই উপযোগী হবে না। জনশ্রæতিমতে কিছু সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কথিত ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইন কার্যক্রম চালু থাকলেও তা কোনভাবেই শিক্ষার্থীদের প্রায়োগিক জ্ঞান বিতরণ বা প্রকৃত শিক্ষায় সমৃদ্ধকরণে লোক দেখানো অপপ্রয়াস মাত্র। এর চরম শিকারে পরিণত হয়েছে দরিদ্র-নিম্নবিত্ত পরিবারের বঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা।
ইতিপূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে কোভিড-১৯ এর কারণে সবচেয়ে সুদূরপ্রসারী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিশ্বের সকল স্তরের শিশু-কিশোরেরা। ইউনিসেফ সূত্রমতে; ৮০ মিলিনিয়নেরও বেশি শিশু চরম দারিদ্র ও ১.৬ বিলিয়ন শিশু স্কুলের বাইরে রয়েছে এবং ১ বছরের কম বয়সী ৮০ মিলিয়ন শিশু জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন ব্যবহারের বাইরে রয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষুধার্ত শিশুর সংখ্যা ৩৬ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। দ্রুততার সাথে সম্ভাব্য সঙ্কট উত্তরণে মনন ও সৃজনশীল চিন্তা ভাবনার সমন্বয়ে নতুন উদ্ভাবনী পন্থায় কর্মকৌশলের কার্যকর বাস্তবায়নে সময় ক্ষেপণের কোন সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা এই দ্বিতীয় তরঙ্গ সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর পরই বিবেচ্য প্রতিকূল পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ এবং একই সাথে অর্থনীতিকে সচল রাখার কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতিমারি থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন ক্রয়-সংগ্রহে বাজেট বরাদ্দসহ সফল পরিকল্পনার ফলাফল হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে ১৭তম অগ্রাধিকার অবস্থানে রয়েছে। এখন প্রয়োজন বাংলাদেশের সামগ্রিক নগর-শহর-প্রত্যন্ত জনপদকে সচেতনতায় উচ্চকিত করা এবং চট্টগ্রামসহ দ্রæতগতিতে সংক্রমণপীড়িত অঞ্চলে দ্বিতীয় তরঙ্গ প্রতিহতের জন্য আগাম প্রস্তুতির নিরূপিত উদ্যোগ গ্রহণ। পূর্ব থেকেই আমলাদের জানা আছে যে, আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল সূত্রমতে পরিস্থিতি উত্তরণে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বছরের শেষ পর্যায়ে বিশ্বে দিনে ১২ হাজারের বেশি মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করতে পারে। সবচেয়ে বেশি সংকটাপন্ন ও চরম ক্ষুধার হটস্পট হিসেবে ১০টি দেশ অনুমিত হয়েছে। ইয়েমেন, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, আফগানিস্তান, ভেনেজুয়েলা, পশ্চিম আফ্রিকান সাহেল, ইথিওপিয়া, সুদান, সাউথ সুদান, সিরিয়া ও হাইথি অন্যতম। এশিয়া, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোন দেশ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না হলেও এতদঅঞ্চলে কর্মচ্যুত জনগোষ্ঠীর হাহাকার পুরো অঞ্চলকে অতিশয় অস্থিতিশীল করে তুলবে – নিঃসন্দেহে তা বলা যায়।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রাক্কলন অনুসারে; বছরের শেষ দিকে বিশ্বে প্রায় দশ কোটি মানুষ চরম দরিদ্রতার অপকৃষ্ট ক্ষোদনে নিপতিত হবে। বিভিন্ন বৈশ্বিক এবং দেশীয় প্রতিবেদন থেকে জানা যায়; অচিরেই বিশ্বে আনুমানিক বিশ-পঁচিশ কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে। এর মধ্যে আমাদের এই মহাদেশ ও উপ-মহাদেশে সাড়ে বার কোটি লোকের কর্মহীনতার অশনি সংকেতও প্রক্ষেপিত হচ্ছে। করোনার বিপর্যস্ত অতিক্রান্তকালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিরোধ-বিচ্ছেদ-সংঘাত এবং উপার্জন ও জীবন নির্বাহের কঠোর বৈষম্য নতুন বৈশ্বিকরূপ পরিগ্রহ করেছে। নিকট অতীতে বিআইজিডি ও পিপিআরসি’র যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে করোনাকালে নতুন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে দেশে দারিদ্রের হার ৪২ শতাংশ। আয়মূলক কর্মহীন পরিবারের সংখ্যা ১৭ শতাংশ। ব্যাপক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দক্ষ-অদক্ষ শ্রমিকের কর্মহীনতার হার সবচেয়ে বেশি। জুন ২০২০ নাগাদ দৈনিক তিন বেলা খেতে না পারার সংখ্যা বস্তি এলাকায় ১১ শতাংশ, গ্রামে ৬ শতাংশ এবং ঢাকায় ১৫ শতাংশ পরিবার চিহ্নিত হয়েছে। শহর-নগর দারিদ্রের গ্রামে যাত্রার নতুন পরিসংখ্যান তথা ঢাকায় ১৬ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৮ শতাংশ বস্তিবাসীর অন্য জেলায় স্থানান্তর দারিদ্রের প্রকৃতি-পরিধি ও বিস্তারের প্রচলিত চিত্র পাল্টে দিয়েছে। দেশ ও দেশবাসীর জন্য অনন্যসুন্দর আশার সঞ্চার হচ্ছে; গার্মেন্টস শিল্প ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুন উদ্যোমে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে। নতুন করে পর্যাপ্ত পরিমান তৈরি পোষাকের কার্যাদেশ অধিকতর প্রণোদনা সৃষ্টি করেছে। করোনার এই দুঃসময়েও প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল প্রায় ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অপরিমেয় আশায় দেশকে উদ্ভাসিত করছে। ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এর যথার্থ প্রণয়ন, কর্মকৌশল নির্ধারণ ও যুক্তিনির্ভর বাস্তবায়নের পদক্ষেপ হিসেবে ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রাভাতিক কমিটি গঠন যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন সঙ্কট প্রকট থেকে প্রকটতর ও প্রবাসীদের জীবন-প্রবাহ যন্ত্রণাবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় অমানবিকতার নতুন স্বরূপ বিরচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা কর্তৃক অয়োজিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল গ্লোবাল শীর্ষ সম্মেলনে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই হৃদয়বিদারক অভিবাসন সংকট মোকাবেলায় বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধ জোরালো প্রয়াস আহবান করেছেন। এই সামিটে অতি চমৎকারভাবে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দিয়ে বিশ্বনেতৃত্বের উঁচুমার্গের অবস্থানে নিজেকে এবং জাতিকে মহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে সক্ষমও হয়েছেন। অসীম সাহসীকতায় অসাধারণ প্রজ্ঞায় উত্থাপিত করেছেন – ‘এই সংকটের সময় বিদেশের বাজারগুলোতে অভিবাসী কর্মীদের চাকরি বজায় রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ এবং অন্যান্য সুবিধা পুরোপুরি প্রদান করার পাশাপাশি তাদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং মহামারির পরে অর্থনীতি পুনরায় সক্রিয় করার জন্য এই শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে হবে’। প্রস্তাবসমূহ শুধু বিশ্বনেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেনি, বিশ্বের সকল দুর্দশাগ্রস্ত এবং অসহায় শ্রমিকদের মনোবল বৃদ্ধিতে অভূতপূর্ব অনুপ্রেরণায় ঋদ্ধ হয়েছে।
গতকাল পর্যন্ত ষড়যন্ত্রের দুর্গত কবলে পড়া পদ্মাসেতু নির্মাণে ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩৯টি স্প্যান এবং আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বাকি দুইটি স্প্যান স্থাপনের মাধ্যমে প্রায় ৬.১৫ কিলোমিটারের দুর্দমনীয় পদ্মাসেতু এক প্রক্ষেপিত আশাজাগানীয়া উদ্ভাবন বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অদম্য অগ্রগতির ধারাকে অধিকতর অনন্য উচ্চতায় এগিয়ে নেবে – দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাশা করা যায়। ‘আমরাও পারি’ অত্যুজ্জ্বল ব্রতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে পুরোদেশবাসী করোনা অতিমারির দ্বিতীয় তরঙ্গকেও সার্থকভাবে অতিক্রান্ত করে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থানকে সুনিপূণ প্রচীয়মান গন্তব্যে পৌঁছে দেবে। মুক্তির মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার সার্থক রূপায়নে অতীতের মতো বাণিজ্যিক রাজধানি-অর্থনীতির সোপান-বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম ও নিবেদিত-সংগ্রামী চট্টগ্রামবাসীই হবে অগ্রগণ্য- নিঃসঙ্কোচে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে নিবন্ধের ইতি টানছি।
লেখক: শিক্ষাবিদ, সমাজ-অপরাধবিজ্ঞানী
সাবেক উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়