প্রধানমন্ত্রী ও সুজনকে অভিনন্দন

7

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল থেকে ১ শতাংশ অর্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে বরাদ্দ প্রদানের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ (বারাবাপ)। গতকাল বুধবার বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদের সভাপতি এসএম সিরাজদ্দৌলা, কার্যকরি সভাপতি অধ্যক্ষ ডা. আবদুল করিম, মহাসচিব সালেহ আহমদ সুলেমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিনন্দন জানানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম শহরকে আগামী দিনের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য নানামুখী কর্মপ্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু টানেল, আউটার রিং রোড, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বে-টার্মিনালসহ বৃহৎ আকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে চট্টগ্রামকে আগামী দিনের মতো গড়ে তোলার চেষ্টা করা হলেও চট্টগ্রাম মূল শহরটি উন্নয়নের তুলনায় অনেকাংশে পিছিয়ে রয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের একটি মাত্র মূল সড়ক তাও অপ্রশস্থ। তাছাড়া নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও অনুন্নত। শহরের ভিতরে চলাচলকারী বিভিন্ন গণপরিবহন কিংবা অন্যান্য পরিবহনে আধুনিকতার লেশমাত্র নেই। প্রায়শই লক্কর ঝক্কর যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায় নগরজুড়ে। বাণিজ্যিক রাজধানীর ঘোষণা শুধুমাত্র কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর উন্নয়নের মূল সংস্থা হলেও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও সিটি কর্পোরেশনের পাশপাশি নগরীতে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা হলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং ব্যয়সমূহ নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন করার একটা নির্দেশনা রয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে যে সিটি কর্পোরেশনের আয়-ব্যয়ের মধ্যে একটা বিরাট ফারাক রয়ে গিয়েছে। সংস্থার আয় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতাও সঠিক সময়ে পরিশোধ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। তার উপর রয়েছে হাজার কোটি টাকার দেনা। এ সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিদায়ী প্রশাসক ১৮০ দিনের দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক খাতকে একটি শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানোর জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলো। তার মধ্যে উলে­খযোগ্য হচ্ছে বন্দরের আয় থেকে ১ শতাংশ অর্থ সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা।