প্রথম ধাপে ১৫ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ

45

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ শুরু হচ্ছে ২০ মে। প্রথম ধাপে চট্টগ্রামে ছয়টি, কক্সবাজারের চারটি, খাগড়াছড়ির তিনটি, রাঙ্গামাটি একটি ও বান্দরবানের একটি উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু হবে। ২০ মে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ জুন। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রামে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাং জাহাঙ্গীর হোসেন পূর্বদেশকে বলেন, ২০ মে থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দুইভাগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে। প্রথম ধাপে চট্টগ্রামের ছয়টি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। পরবর্তীতে বাকি উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম হবে।
ইসি সূত্র জানায়, প্রথম ধাপে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড, সন্দ্বীপ, কর্ণফুলী, লোহাগাড়া, পটিয়া, আনোয়ারা, কক্সবাজারের মহেশখালী, রামু, চকরিয়া, কুতুবদিয়া, খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি, লক্ষীছড়ি, রাঙ্গামাটি সদর, বান্দরবান সদরে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে।
২০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ শেষে ১০ জুন থেকে নিবন্ধন (ছবি তোলা) কার্যক্রম শুরু হবে। চট্টগ্রামের ছয় উপজেলায় ১০ জুন থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। কক্সবাজারে চারটি উপজেলায় ২৩ জুন থেকে নিবন্ধন শুরু হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। খাগড়াছড়ির চার উপজেলায় ১০ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধন চলবে। রাঙ্গামাটি সদরে ১৮ জুন নিবন্ধন শুরু হয়ে ২ জুলাই শেষ হবে। বান্দরবান সদরে ১৫ জুন নিবন্ধন শুরু হয়ে শেষ হবে ৯ জুলাই।
চট্টগ্রামে বিদ্যমান ভোটার ৫৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৩৫। সারাদেশে বিদ্যমান ভোটারের সাড়ে ৭ শতাংশ নতুন ভোটার করার লক্ষ্যমাত্রা ইসির। সে হিসেবে চট্টগ্রামে প্রায় চার লক্ষ ৫১ হাজার ৫৩৫ জন নতুন ভোটার করার টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব ভোটারের তথ্য সংগ্রহে আগামী ২০ মে থেকে মাঠে নামছে তথ্য সংগ্রহকারীরা। তথ্য সংগ্রহ শেষে ১০ জুন থেকে নতুন ভোটারদের ছবি তোলার কাজ করবে ১১ টি ইসির টিম। আগামী ২০ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ভোটার তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত থাকবে দুই হাজার ৯৪৯ তথ্য সংগ্রহকারী। তাদের এ কর্মকান্ড তদারকি করবে ৬১৩ জন সুপারভাইজার। পরবর্তীতে ১০ জুন থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন (ছবি তোলা) কাজ করবে ইসির ১১ টি টিম। প্রতিটি টিমে একজন টিম লিডার, চারজন অপারেটর, প্রæফ রিডার দুইজন ও একজন টেকনিক্যাল সাপোর্টার থাকবে। প্রতি দুই হাজার বিদ্যমান ভোটারের জন্য একজন তথ্য সংগ্রহকারী ও দশ হাজার ভোটারের জন্য একজন সুপারভাইজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।