পোশাক শিল্পে কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে একযোগে কাজ করবে

6

বিজিএমইএ’র নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সাথে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সোমবার বিজিএমইএ আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম চট্টগ্রামে গার্মেন্টস শিল্পে শান্তি শৃংখলা রক্ষার্থে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। করোনা মহামারীর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এ শিল্প টিকবে কিনা অনেকই সন্দিহান ছিলেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তে এ শিল্প ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতে পেরেছে। যদিও বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে, তবুও এ দেশের অবহেলিত নারী সমাজের ক্ষমতায়ন ও অর্থনীতির প্রাণ শক্তি এই শিল্পকে সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান বলেন, গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিক অসন্তেুাষ নিরসনসহ শিল্পাঞ্চলে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যেই শিল্প পুলিশ গঠিত হয়েছে। তিনি শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তার স্বার্থে সার্বক্ষণিক মনিটরিং, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে শিল্প পুলিশের তৎপরতা অব্যহত রাখা এবং গার্মেন্টস শিল্পের নিরাপত্তা রক্ষায় শিল্প পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি বলেন, এ শিল্পের ভাবমূর্তির সাথে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত, তাই বর্তমান করোনাকালীন পরিস্থিতিতে শিল্পে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে শিল্প পুলিশ ব্যবসায়ীদের সাথে একযোগে কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো. হাসান (জেকি), প্রাক্তন পরিচালক আ ন ম সাইফ উদ্দিন, মোহাম্মদ মুসা, শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রানী সাহা এবং সহকারী পুলিশ সুপার সুদীপ ত্রিপুরা ও মো. জসিম উদ্দিন। বক্তারা সকলেই জাতীয় অর্থনীতিতে পোশাক শিল্পের অবদান উল্লেখ করে এ শিল্প রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএর পরিচালক তানভীর হাবিব, এ এম শফিউল করিম (খোকন), এম এহসানুল হক এবং শিল্প পুলিশ, চট্টগ্রাম ও বিজিএমইএর উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।