পুতিনকে থামিয়ে ‘মাঠে’ নামছেন এরদোয়ান!

24

পূর্বদেশ অনলাইন
ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ ও সিরিয়ায় নতুন করে হামলা শুরুর জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। রাশিয়ার সোচিতে শুক্রবার (৫ আগস্ট) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৭ দিনের মধ্যে পুতিন-এরদোয়ানের দ্বিতীয় বৈঠক হবে এটি। বৈঠকে অংশ নিতে এরইমধ্যে রাশিয়া পৌঁছেছেন এরদোয়ান। গত মাসে তেহরানে বৈঠকের সময় পুতিনকে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে কুর্দিদের ওপর হামলার পরিকল্পনা জানায় এরদোগান। তবে এতে আপত্তি তোলে রাশিয়া। এদিকে রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার শুরু থেকেই নিরপেক্ষ ছিল তুরস্ক। দেশটির কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রপ্তানিতে রাজি হয় রাশিয়া। শুক্রবারও তিনটি শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেন ছেড়েছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক। খাদ্যশস্য রপ্তানি নিয়ে এই সফলতার পর তুরস্ক চাইছে রাশিয়া- ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে। এ নিয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে চলতি সপ্তাহে আলোচনার পর তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেন, শস্য চুক্তি একটি টেকসই যুদ্ধবিরতির উপলক্ষ হতে পারে কি না তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
এদিকে সিরিয়ায় রুশ সেনারা বাশার আল আসাদের হয়ে লড়াই করছে। সেখানে রাশিয়ার প্রতিপক্ষ তুরস্ক। বিশ্লেষকরা বলছেন, পুতিন চাইছে তুরস্ক থেকে ড্রোন পেতে। পাশাপাশি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে। আর এ জন্যই আঙ্কারার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে মস্কো। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কিয়েভকে বায়রাক্তার ড্রোন দিয়েছে তুরস্ক। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানে গিয়ে যুদ্ধের জন্য ড্রোন কিনতে গিয়েছিল রাশিয়ার একটি দল। এদিকে এরদোয়ানও তার মন্ত্রীসভার বৈঠকে বলেছেন, তেহরানে পুতিন বায়রাক্তার ড্রোন কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে পরে তুরস্কের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এটিকে রসিকতা বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সবসময় রাশিয়া ও তুরস্কের এজেন্ডায় থাকে। সূত্র: এএফপি,আল জাজিরা